প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

জোনাকী অনলাইন লাইব্রেরীতে আপনাকে স্বাগতম | জোনাকী যদি আপনার ভালো লাগে তবে আপনার বন্ধুদের সাথে লিংকটি শেয়ার করার অনুরোধ জানাচ্ছি | এছাড়াও যারা ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী তারা jaherrahman@gmail.com এ মেইল করার অনুরোধ করা হচ্ছে | আপনার অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ হোক আপনার প্রিয় অনলাইন লাইব্রেরী। আমাদের সকল লেখক, পাঠক- শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা- অভিনন্দন।

মুসলমানদের হাতেই বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ ঘটেছে || হাসান শান্তনু


উনিশ শতকের নবজাগরণে বাঙালি মুসলমানের অংশগ্রহণ অনেকটা বিলম্বিত ও বিঘ্নিত হলেও বিশ শতকের প্রথম তিন দশকে অতি দ্রুত তারা এ সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে সমর্থ হন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও রুশ বিপ্লবের রক্তিম অভিজ্ঞতার ছোঁয়া তাদের নবজাগরণের তারুণ্যদীপ্ত উদ্দীপনার সঙ্গে সাম্যবাদী রাজনীতির গণমুখী চেতনা যুক্ত করে দেয়। অধঃপতন থেকে উত্তরণের জন্য উনিশ শতকের শেষ চতুর্থাংশে শুরু হয় নানা কর্মপ্রচেষ্টা। মুক্তির উপায় হিসেবে যেসব পথ তখন বিবেচিত হয়, মাতৃভাষা বাংলায় সাহিত্যচর্চা সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। ওই সময়ে গুরুত্ব দেয়া হয় মুসলমানের ধর্মজীবন, তার ধর্মতত্ত্ব, ইতিহাস, ঐতিহ্য, বীরত্বগাথা ইত্যাদি চর্চার ওপর।
বিষয়টি ব্যাখ্যার জন্য ইতিহাসবিদ নারায়ণ দত্তের আলোচিত একটি উক্তি ধার করা যায়। তিনি বলে গেছেন, ‘জন্মের সেই পরম লগ্নেই কলকাতার অস্বাস্থ্যকর জলাভূমির মানুষ এক অসুস্থ খেলায় মেতেছিল। তাতে স্বার্থবুদ্ধিই একমাত্র বুদ্ধি, দুর্নীতিই একমাত্র নীতি, ষড়যন্ত্রের চাপা ফিসফিসানিই একমাত্র আলাপের ভাষা।’ মুসলমানদের আত্মপ্রতিষ্ঠা তাই সেই সময়ে অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। চিন্তাশীল ব্যক্তিরা অনুধাবন করেন আত্মজাগরণ ও আত্মপ্রতিষ্ঠার জন্য সংঘ-সমিতি প্রতিষ্ঠা আর পত্রিকা, বই প্রকাশের কথা। তারাই মূলত কলকাতাকেন্দ্রিক বাংলা সাহিত্য ও মুসলমানদের অবমাননাকর অবস্থা থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে উদ্ধার করেন। পূর্ববাংলার প্রকৃতি ও জীবন তাদের সাহিত্যে আপন হয়ে ওঠার ফলে আধুনিক বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে মুসলমানদের চেহারা ফুটে উঠতে শুরু করে। যা কলকাতার হিন্দু সাহিত্যিকরা পারেননি। মুসলমান লেখকদের আবির্ভাবের মধ্য দিয়েই মূলত বাংলা সাহিত্যের চেহারাটা পুরোপুরি বদলে যায়। সাহিত্যের প্রকৃত রূপটিও তখন নির্মিত হয়। আজ স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বাংলা সাহিত্যের রাজধানী হয়ে ওঠার পেছনে অবদান ওই লেখকদেরই। মুসলমানদের অবদানের ফলেই পূর্ব বাংলা, পরে পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশে বাংলা সাহিত্য বিকশিত হয়।
অতীতে ত্রয়োদশ শতক থেকে মুসলমান সুলতানগণ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছেন। ওই সময় আলাউদ্দিন হোসেন শাহ’র আমলে নতুনভাবে বাংলা ভাষার চর্চা শুরু হয়। এক সময় বাংলা ভাষাকে বলা হতো ‘পক্ষী ভাষা’ অর্থাত্ পাখিদের ভাষা। কথাটি অবজ্ঞা ভরে বলতেন বর্ণহিন্দুরা। এই ভাষা সম্পর্কে একটি সংস্কৃত শ্লোকে বলা হয়েছে— অষ্টাদশ পুরাণানী রামস্যচরিতানিচ/ভাষায়ং শ্রত্বা রৌরবং নরকং ব্রজেত্। অর্থত্ এই ভাষায় অষ্টাদশ পুরাণ ও রামায়ন যারা পাঠ করবেন তারা রৌরব নরকে জ্বলবেন। এ অবস্থা থেকে বাংলা ভাষাকে উদ্ধার করেন মুসলমান সুলতানগণ।
মুসলমান লেখকরা কলকাতায় ও ঢাকায় কিছু কিছু সংগঠন গড়ে তোলেন। অবশ্য যথার্থ ও শক্তিশালী সাহিত্য সংগঠনের জন্য বাঙালি মুসলমানদের অপেক্ষা করতে হয় বেশ কয়েক বছর। ১৯১১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালি মুসলমানের প্রথম উল্লেখযোগ্য সাহিত্য প্রতিষ্ঠান ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি’।
বাঙালি মুসলিম সমাজে এ সমিতির ভূমিকার মূল্যায়ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার এএফ রহমান ১৯৪৩ সালের মে মাসে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অনুষ্ঠিত সমিতির শেষ সাহিত্য-সম্মেলনে বলেন, ‘নবীন মুসলমান সাহিত্যিকদের উত্সাহ দেয়ার জন্য, তাঁদের রচিত জিনিসগুলো জনসাধারণের সম্মুখে ফুটিয়ে তোলার জন্য মুসলিম সাহিত্য সমিতির প্রয়োজন হয়। এই সমিতি অনেকটা সফলতা লাভ করেছে। নবীন সাহিত্যিকরা আজ বঙ্গসাহিত্যে উচ্চ স্থান অধিকার করে সমাজের মুখোজ্জ্বল করেছেন, সেটা এই সমিতির অক্লান্ত পরিশ্রম, চেষ্টা ও একনিষ্ঠ সেবার ফল। যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই সমিতির গঠন, তা সফল হয়েছে। এর অক্লান্ত কর্মীদের কাছে আমাদের সমাজের ও বঙ্গ-সাহিত্যের ঋণ অপূরণীয়’।
কয়েকজন মুসলিম তরুণের প্রবল উত্সাহে প্রতিষ্ঠিত হয় ওই সাহিত্য-সমিতি। এর অন্তত ১৭ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সঙ্গেও মুসলমান লেখকদের কেউ কেউ যুক্ত ছিলেন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, ‘মুসলমান সাহিত্যিকদের সেখানে দারিদ্র্যের দরুন বড় লোকের ঘরে গরিব আত্মীয়ের মতন মন-মরা হয়ে যোগদান করতে হতো।’
নবীন লেখকদের সংগঠিত করে উত্সাহ-উদ্দীপনা জোগানো আর সাহিত্যের মাধ্যমে মুসলমান সমাজ-জীবনের বিভিন্ন দিকের প্রতিফলন ঘটানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া তাই ঐতিহাসিক কারণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেজন্য দরকার ছিল নিজেদের একটি সংগঠন।
ওই সাহিত্য সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আবদুল করিম, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, কাজী নজরুল ইসলাম, কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, কাজী ইমদাদুল হক, কমরেড মুজাফফর আহমদ, কাজী আবদুল ওদুদ, প্রকাশক আফজাল উল হক, এয়াকুব আলী চৌধুরী, গোলাম মোস্তফা, হবিবুল্লাহ বাহার, আইনুল হক খান, আবুল মনসুর আহমদসহ আরও অনেকে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইংরেজ শাসনের সমকালে বাংলায় হিন্দুর চেয়ে মুসলমানের সংখ্যা কম ছিল না। তবু কলকাতাশাসিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যে তাদের জীবন আদৌ কোনো উপস্থিতি ছিল কিনা, এ প্রশ্নও রাখা যায়।
১৮৭০ সাল অব্দি মুসলমানরা সাহিত্যকর্মে হাত না দেয়া পর্যন্ত তাদের জীবনও সাহিত্যে ঠাঁই পায়নি। জসীম উদ্দীনের ‘কবর’ কবিতা লেখার আগে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে কবর আর কায়কোবাদের ‘আজান’ কবিতা লেখার আগে আজান কোনোরকম বিশেষত্ব পায়নি। গুটিকয় কবি-সাহিত্যিকের আকস্মিক আবির্ভাব না হলে মুসলমান বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবন আধুনিক বাংলা সাহিত্য পাঠকের মনে কোনো ধরনের আগ্রহেরই উদ্রেক করত না। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— মীর মশাররফ হোসেন, কায়কোবাদ, বেগম রোকেয়া, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, দীনেশচন্দ্র সেন, কাজী নজরুল ইসলাম ও জসীম উদ্দীন।
বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণার জন্য ভারতের বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের মন্তব্য উল্লেখ করা যায়। তিনি ‘বাংলা সাহিত্যে মুসলমান সমাজ ও চরিত্র’ শিরোনামে পিএইচডি থিসিস প্রণয়ন করেন। এতে তিনি রবীন্দ্র-সাহিত্যে মুসলিম সমাজ ও চরিত্র সম্পর্কে বলেন, ‘সমগ্র রবীন্দ্র-সাহিত্যে মুসলমান সমাজ-জীবন ও চরিত্র তুলনামূলকভাবে কম হলেও একথা স্বীকার করেত হবে, রবীন্দ্রনাথই ভারতবর্ষীয় তথা বাঙালি মুসলমান সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি সুবিচার করেছেন।’ মুসলমানরা যে কলকাতার সাহিত্যে উপেক্ষিত ছিল, তা ওই শিক্ষকের মন্তব্য থেকেও ফুটে ওঠে। কেননা, শরত্চন্দ্রকে লেখা চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ ‘স্বীকার’ করেন, মুসলমানদের ঘরের কথা তিনি তেমন জানেন না।
শুধু রবীন্দ্রনাথই নয়, মাইকেল মধুসূদন, ঈশ্বরচন্দ্র, বঙ্কিমচন্দ্র, হেমচন্দ্র, নবীনচন্দ্র, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, দ্বিজেন্দ্রলাল, মোহিতলাল, যতীন্দ্রনাথ, তারাশঙ্কর, বিভূতিভূষণদের সাহিত্যেও মুসলমানরা উপেক্ষিত ছিলেন। অন্যদিকে মশাররফ, কায়কোবাদ, নজরুলসহ মুসলিম সমাজের অধিকাংশ কবি-সাহিত্যিকের কবিতা ও সাহিত্যে সেই অভেদ শিল্প-সংস্কৃতির রূপরেখা অকপটে ফুটে ওঠে। তারা মুসলমানদের প্রাণের কথাকে নিজেদের প্রাণের কথা হিসেবে যেমন গুরুত্ব দেন, হিন্দুর প্রাণের কথাকেও তাদের প্রাণের কথা হিসেবে তেমন গুরুত্ব দেন। হ
(তথ্যসূত্র : ড. মুনতাসীর মামুন, রফিকউল্লাহ খান, হাবীব রহমানের প্রবন্ধ)

Stumble
Delicious
Technorati
Twitter
Facebook

0 Comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিন

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

কবিতা ছোটগল্প গল্প নিবন্ধ ছড়া টিপস রম্য গল্প প্রেমের কবিতা স্বাস্থ্য কথা কৌতুক ইসলামী সাহিত্য কম্পিউটার টিপস জানা অজানা লাইফ স্ট্যাইল স্বাধীনতা স্থির চিত্র ফিচার শিশুতোষ গল্প ইসলাম কবি পরিচিতি প্রবন্ধ ইতিহাস চিত্র বিচিত্র প্রকৃতি বিজ্ঞান রম্য রচনা লিরিক ঐতিহ্য পাখি মুক্তিযুদ্ধ শরৎ শিশু সাহিত্য বর্ষা আলোচনা বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বীরশ্রেষ্ঠ লেখক পরিচিতি স্বাস্থ টিপস উপন্যাস গাছপালা জীবনী ভিন্ন খবর হারানো ঐতিহ্য হাসতে নাকি জানেনা কেহ ছেলেবেলা ফল ফুল বিরহের কবিতা অনু গল্প প্রযুক্তি বিউটি টিপস ভ্রমণ মজার গণিত সংস্কৃতি সাক্ষাৎকার ঔষধ ডাউনলোড প্যারডী ফেসবুক মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য রম্য কবিতা সাধারণ জ্ঞান সাহিত্যিক পরিচিতি সায়েন্স ফিকশান স্বাধীনতার কবিতা স্বাধীনতার গল্প কৃষি তথ্য চতুর্দশপদী প্রেমের গল্প মোবাইল ফোন রুপকথার গল্প কাব্য ক্যারিয়ার গবেষণা গৌরব জীবনের গল্প ফটোসপ সবুজ সভ্যতা
অতনু বর্মণ অদ্বৈত মারুত অধ্যাপক গোলাম আযম অনন্ত জামান অনিন্দ্য বড়ুয়া অনুপ সাহা অনুপম দেব কানুনজ্ঞ অমিয় চক্রবর্তী অয়ন খান অরুদ্ধ সকাল অর্ক আ.শ.ম. বাবর আলী আইউব সৈয়দ আচার্য্য জগদীশচন্দ্র বসু আজমান আন্দালিব আতাউর রহমান কাবুল আতাউস সামাদ আতোয়ার রহমান আত্মভোলা (ছন্দ্রনাম) আদনান মুকিত আনিসা ফজলে লিসি আনিসুর রহমান আনিসুল হক আনোয়ারুল হক আন্জুমান আরা রিমা আবদুল ওহাব আজাদ আবদুল কুদ্দুস রানা আবদুল গাফফার চৌধুরী আবদুল মান্নান সৈয়দ আবদুল মাবুদ চৌধুরী আবদুল হাই শিকদার আবদুল হামিদ আবদুস শহীদ নাসিম আবিদ আনোয়ার আবু মকসুদ আবু সাইদ কামাল আবু সাঈদ জুবেরী আবু সালেহ আবুল কাইয়ুম আহম্মেদ আবুল মোমেন আবুল হায়াত আবুল হাসান আবুল হোসেন আবুল হোসেন খান আবেদীন জনী আব্দুল কাইয়ুম আব্দুল মান্নান সৈয়দ আব্দুল হালিম মিয়া আমানত উল্লাহ সোহান আমিনুল ইসলাম চৌধুরী আমিনুল ইসলাম মামুন আরিফুন নেছা সুখী আরিফুর রহমান খাদেম আল মাহমুদ আলম তালুকদার আশীফ এন্তাজ রবি আসমা আব্বাসী আসাদ চৌধুরী আসাদ সায়েম আসিফ মহিউদ্দীন আসিফুল হুদা আহমদ - উজ - জামান আহমদ বাসির আহমেদ আরিফ আহমেদ খালিদ আহমেদ রাজু আহমেদ রিয়াজ আহসান হাবিব আহসান হাবীব আহাম্মেদ খালিদ ইকবাল আজিজ ইকবাল খন্দকার ইব্রাহিম নোমান ইব্রাহীম মণ্ডল ইমদাদুল হক মিলন ইয়াসির মারুফ ইলিয়াস হোসেন ইশতিয়াক উত্তম মিত্র উত্তম সেন উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এ কে আজাদ এ টি এম শামসুজ্জামান এ.বি.এম. ইয়াকুব আলী সিদ্দিকী একরামুল হক শামীম একে আজাদ এনামুল হায়াত এনায়েত রসুল এম আহসাবন এম. মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার এম. হারুন অর রশিদ এরশাদ মজুদার এরশাদ মজুমদার এস এম নাজমুল হক ইমন এস এম শহীদুল আলম এস. এম. মতিউল হাসান এসএম মেহেদী আকরাম ওমর আলী ওয়াসিফ -এ-খোদা ওয়াহিদ সুজন কবি গোলাম মোহাম্মদ কমিনী রায় কাজী আনিসুল হক কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক কাজী নজরুল ইসলাম কাজী মোস্তাক গাউসুল হক শরীফ কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম কাপালিক কামরুল আলম সিদ্দিকী কামাল উদ্দিন রায়হান কায়কোবাদ (কাজেম আলী কোরেশী) কার্তিক ঘোষ কৃষ্ণকলি ইসলাম কে এম নাহিদ শাহরিয়ার কেজি মোস্তফা খন্দকার আলমগীর হোসেন খন্দকার মুহাম্মদ হামিদুল্লাহ্ খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীন খালেদ রাহী গাজী গিয়াস উদ্দিন গিয়াস উদ্দিন রূপম গিরিশচন্দ সেন গোলাম কিবরিয়া পিনু গোলাম নবী পান্না গোলাম মোস্তফা গোলাম মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার চন্দন চৌধুরী চৌধুরী ফেরদৌস ছালেহা খানম জুবিলী জ. রহমান জয়নাল আবেদীন বিল্লাল জসিম মল্লিক জসীম উদ্দিন জহির উদ্দিন বাবর জহির রহমান জহির রায়হান জাওয়াদ তাজুয়ার মাহবুব জাকিয়া সুলতানা জাকির আবু জাফর জাকির আহমেদ খান জান্নাতুল করিম চৌধুরী জান্নাতুল ফেরদাউস সীমা জাফর আহমদ জাফর তালুকদার জায়ান্ট কজওয়ে জাহাঙ্গীর আলম জাহান জাহাঙ্গীর ফিরোজ জাহিদ হোসাইন জাহিদুল গণি চৌধুরী জিয়া রহমান জিল্লুর রহমান জীবনানন্দ দাশ জুবাইদা গুলশান আরা জুবায়ের হুসাইন জুলফিকার শাহাদাৎ জেড জাওহার ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া ড. কাজী দীন মুহম্মদ ড. ফজলুল হক তুহিন ড. ফজলুল হক সৈকত ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ ড. মুহা. বিলাল হুসাইন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ড. রহমান হাবিব ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ডক্টর সন্দীপক মল্লিক ডা: সালাহ্উদ্দিন শরীফ ডা. দিদারুল আহসান তমিজ উদদীন লোদী তাজনীন মুন তানজিল রিমন তাপস রায় তামান্না শারমিন তারক চন্দ্র দাস তারাবাঈ তারেক রহমান তারেক হাসান তাসনুবা নূসরাত ন্যান্সী তাসলিমা আলম জেনী তাহমিনা মিলি তুষার কবির তৈমুর রেজা তৈয়ব খান তৌহিদুর রহমান দর্পণ কবীর দিলওয়ার হাসান দেলোয়ার হোসেন ধ্রুব এষ ধ্রুব নীল নঈম মাহমুদ নবাব আমিন নাইমুর রশিদ লিখন নাইয়াদ নাজমুন নাহার নাজমুল ইমন নাফিস ইফতেখার নাবিল নাসির আহমেদ নাসির উদ্দিন খান নাহার মনিকা নাহিদা ইয়াসমিন নুসরাত নিজাম কুতুবী নির্জন আহমেদ অরণ্য নির্মলেন্দু গুণ নিসরাত আক্তার সালমা নীল কাব্য নীলয় পাল নুরে জান্নাত নূর মোহাম্মদ শেখ নূর হোসনা নাইস নৌশিয়া নাজনীন পীরজাদা সৈয়দ শামীম শিরাজী পুলক হাসান পুষ্পকলি প্রাঞ্জল সেলিম প্রীতম সাহা সুদীপ ফকির আবদুল মালেক ফজল শাহাবুদ্দীন ফয়সাল বিন হাফিজ ফররুখ আহমদ ফাতিহা জামান অদ্রিকা ফারুক আহমেদ ফারুক নওয়াজ ফারুক হাসান ফাহিম আহমদ ফাহিম ইবনে সারওয়ার ফেরদৌসী মাহমুদ বাদশা মিন্টু বাবুল হোসেইন বিকাশ রায় বিন্দু এনায়েত বিপ্রদাশ বড়ুয়া বেগম মমতাজ জসীম উদ্দীন বেগম রোকেয়া বেলাল হোসাইন বোরহান উদ্দিন আহমদ ম. লিপ্স্কেরভ মঈনুল হোসেন মজিবুর রহমান মন্জু মতিউর রহমান মল্লিক মতিন বৈরাগী মধু মনসুর হেলাল মনিরা চৌধুরী মনিরুল হক ফিরোজ মরুভূমির জলদস্যু মর্জিনা আফসার রোজী মশিউর রহমান মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর মা আমার ভালোবাসা মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাওলানা মুহাম্মাদ মাকসুদা আমীন মুনিয়া মাখরাজ খান মাগরিব বিন মোস্তফা মাজেদ মানসুর মুজাম্মিল মানিক দেবনাথ মামুন হোসাইন মায়ফুল জাহিন মারজান শাওয়াল রিজওয়ান মারুফ রায়হান মালিহা মালেক মাহমুদ মাসুদ আনোয়ার মাসুদ মাহমুদ মাসুদা সুলতানা রুমী মাসুম বিল্লাহ মাহফুজ উল্লাহ মাহফুজ খান মাহফুজুর রহমান আখন্দ মাহবুব আলম মাহবুব হাসান মাহবুব হাসানাত মাহবুবা চৌধুরী মাহবুবুল আলম কবীর মাহমুদা ডলি মাহমুদুল বাসার মাহমুদুল হাসান নিজামী মাহ্‌মুদুল হক ফয়েজ মিতা জাহান মু. নুরুল হাসান মুজিবুল হক কবীর মুন্সি আব্দুর রউফ মুফতি আবদুর রহমান মুরাদুল ইসলাম মুস্তাফিজ মামুন মুহম্মদ নূরুল হুদা মুহম্মদ শাহাদাত হোসেন মুহাম্মদ আনছারুল্লাহ হাসান মুহাম্মদ আবু নাসের মুহাম্মদ আমিনুল হক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মুহাম্মাদ হাবীবুল্লাহ মুহিউদ্দীন খান মেজবাহ উদ্দিন মেহনাজ বিনতে সিরাজ মেহেদি হাসান শিশির মো: জামাল উদ্দিন মো. আরিফুজ্জামান আরিফ মোঃ আহসান হাবিব মোঃ তাজুল ইসলাম সরকার মোঃ রাকিব হাসান মোঃ রাশেদুল কবির আজাদ মোঃ সাইফুদ্দিন মোমিন মেহেদী মোর্শেদা আক্তার মনি মোশাররফ মোশাররফ হোসেন খান মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী মোহসেনা জয়া মোহাম্মদ আল মাহী মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন মোহাম্মদ নূরুল হক মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ্ মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ মোহাম্মদ সা'দাত আলী মোহাম্মদ সাদিক মোহাম্মদ হোসাইন মৌরী তানিয় যতীন্দ্র মোহন বাগচী রজনীকান্ত সেন রণক ইকরাম রফিক আজাদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রহমান মাসুদ রহিম রায়হান রহিমা আখতার কল্পনা রাখাল রাজিব রাজিবুল আলম রাজীব রাজু আলীম রাজু ইসলাম রানা হোসেন রিয়াজ চৌধুরী রিয়াদ রুমা মরিয়ম রেজা উদ্দিন স্টালিন রেজা পারভেজ রেজাউল হাসু রেহমান সিদ্দিক রোকনুজ্জামান খান রোকেয়া খাতুন রুবী শওকত হোসেন শওকত হোসেন লিটু শওগাত আলী সাগর শফিক আলম মেহেদী শরীফ আতিক-উজ-জামান শরীফ আবদুল গোফরান শরীফ নাজমুল শাইখুল হাদিস আল্লামা আজীজুল হক শামছুল হক রাসেল শামসুজ্জামান খান শামসুর রহমান শামস্ শামীম হাসনাইন শারমিন পড়শি শাহ আব্দুল হান্নান শাহ আলম শাহ আলম বাদশা শাহ আহমদ রেজা শাহ নেওয়াজ চৌধুরী শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ শাহজাহান কিবরিয়া শাহজাহান মোহাম্মদ শাহনাজ পারভীন শাহাদাত হোসাইন সাদিক শাহাবুদ্দীন আহমদ শাহাবুদ্দীন নাগরী শাহিন শাহিন রিজভি শিউল মনজুর শিরিন সুলতানা শিশিরার্দ্র মামুন শুভ অংকুর শেখ হাবিবুর রহমান সজীব সজীব আহমেদ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সাইদা সারমিন রুমা সাইফ আলি সাইফ চৌধুরী সাইফ মাহাদী সাইফুল করীম সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদূদী সাকিব হাসান সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ সানজানা রহমান সাবরিনা সিরাজী তিতির সামছুদ্দিন জেহাদ সামিয়া পপি সাযযাদ কাদির সারোয়ার সোহেন সালমা আক্তার চৌধুরী সালমা রহমান সালেহ আকরাম সালেহ আহমদ সালেহা সুলতানা সিকদার মনজিলুর রহমান সিমু নাসের সিরহানা হক সিরাজুল ইসলাম সিরাজুল ফরিদ সুকান্ত ভট্টাচার্য সুকুমার বড়ুয়া সুকুমার রায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সুফিয়া কামাল সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুমন সোহরাব সুমনা হক সুমন্ত আসলাম সুমাইয়া সুহৃদ সরকার সৈয়দ আরিফুল ইসলাম সৈয়দ আলমগীর সৈয়দ আলী আহসান সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী সৈয়দ তানভীর আজম সৈয়দ মুজতবা আলী সৈয়দ সোহরাব হানিফ মাহমুদ হামিদুর রহমান হাসান আলীম হাসান ভূইয়া হাসান মাহবুব হাসান শরীফ হাসান শান্তনু হাসান হাফিজ হাসিনা মমতাজ হুমায়ূন আহমেদ হুমায়ূন কবীর ঢালী হেলাল মুহম্মদ আবু তাহের হেলাল হাফিজ হোসেন মাহমুদ হোসেন শওকত হ্নীলার বাঁধন

মাসের শীর্ষ পঠিত

 
রায়পুর তরুণ ও যুব ফোরাম

.::jonaaki online::. © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ