প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

জোনাকী অনলাইন লাইব্রেরীতে আপনাকে স্বাগতম | জোনাকী যদি আপনার ভালো লাগে তবে আপনার বন্ধুদের সাথে লিংকটি শেয়ার করার অনুরোধ জানাচ্ছি | এছাড়াও যারা ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী তারা jaherrahman@gmail.com এ মেইল করার অনুরোধ করা হচ্ছে | আপনার অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ হোক আপনার প্রিয় অনলাইন লাইব্রেরী। আমাদের সকল লেখক, পাঠক- শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা- অভিনন্দন।

বুদ্ধিমান কুকুর ও চালাক শিয়াল


এক গিরস্থের বাড়িতে ছিল এক কুকুর। ছোটবেলা থেকে কুকুরটি এ বাড়িতে থাকে। গিরস্থ তাকে অনেক আদর-যতœ করে। কুকুরটা এখন বেশ বড় হয়েছে। সে ছেলে বুড়ো সবার পায়ে পায়ে হাঁটে। তার লেজের তাড়নে তাকে না দিয়ে কিছু খেতে পারে না কেউ। বাড়ির সবাই আদর করে তার নাম রেখেছে ‘বুলু‘। এ নামে ডাক দেয়া মাত্র বুলু এসে উপস্থিত হয়ে যায়। গিরস্থবাড়িতে বুলু কিন্তু বেকার থাকে না, তার মেলা কাজ। সে অনেক উপকার করে গিরস্থের। বুলু দিনের বেলা খায়-দায়-ফুর্তিকরে-ঘুমায়। আর রাতে বাড়ি পাহারা দেয়। গিরস্থের অনেকগুলো ছাগল, গরূ, হাঁস, মুরগী আছে। মাঝেমধ্যে চোর এসে ইতিউতি করে কিন্তু বুলুর জন্য সুবিধা করতে পারে না। রাতে চোর-ডাকাত ঢুকবে তো দূরের কথা বাড়ির লোকজনও ঢুকতে গেলে ঘেউ ঘেউ করে বাড়ি মাথায় তুলবে। নামপরিচয় পেয়ে বুলু সন্তুষ্ট হলেই না পরে ঢুকতে দিবে ঘরে। গ্রামে শিয়ালের খুব উপদ্রব। শিয়ালেরা প্রায় রাতেই কোনো না কোনো বাড়ি থেকে হাঁস, মুরগী চুরি করে নিয়ে যায়। কিন্তু তারা বুলুর মালিকের বাড়ি থেকে একটাও হাঁস মুরগী চুরি করতে পারেনি। শিয়ালসর্দার আপে করে বলে, ইশ! বুলুর মালিকের বাড়িতে কত মোটা তাজা হাঁস-মুরগী, গায়ে প্রচুর তেল। যদি খেতে পারতাম তো জীবনটা সার্থক হতো। এক শিয়াল ঘাড় চুলকিয়ে আমতা আমতা করে বলে, যা ত্যান্দড়রে বাবা গিরস্থবাড়ির কুত্তাটা। শিয়ালসর্দার ধমক দিয়ে বলে, আরে ধ্যাত, চালাকীর কাছে ত্যান্দড়-ম্যান্দড় টেকে না। নো চিন্তা। আমরা হলাম গিয়ে সবার চেয়ে চালাক প্রাণী। এমনি এমনিতে তো আর আমাদের শিয়ালপন্ডিত বলে না। আর কুত্তা হলো মস্ত বোকা প্রাণী। নইলে কি আর চোখের সামনে তরতাজা হাঁস-মুরগী রেখে গিরস্থবাড়ির হাড়-কাটা উচ্ছিষ্ট চেটে-চুটে খায়? তোরা গিয়ে কুত্তাটার সাথে খায়-খাতির কর আর লোভ দেখা। দেখবে, এই বোকা কুত্তা লোভে পড়ে আর ঘেউ ঘেউ করে তেড়ে আসবে না বরং আমাদের চুরি করতে সাহায্য করবে। একটা শিয়াল চোখ গোল করে বলে, সর্দার, কুত্তাটা বেজায় প্রভূভক্ত ও হিংস্র। তাকে লোভ দেখিয়ে বাগে আনা সহজ হবে না। সর্দার বলে, বোকার মত কী যে কস না তোরা, লোভে পড়ে মানুষেরা পর্যন্ত কত খারাপ কাজ করে বসে আর সামান্য কুত্তা সে বুঝি টলবে না লোভে! যা, তার সাথে খাতির জমিয়ে লোভ দেখিয়ে নিরাপদে চুরির পথ বের কর। গেরস্থের মোটা-তাজা হাঁস, মুরগীগুলো না খেলেই নয়।
পরের দিন রাতে চালাক তিন শিয়াল গিয়ে বুলুর সাখে খুব খাতির জমালো। শিয়ালেরা বলে, ভাই বুলু, তুমি আমাদের শক্রু মনে করলেও আমরা কিন্তু তোমাকে ভালো বন্ধু মানি। তোমার দুঃখ দেখে আমাদের খুব কষ্ট হয়। আমরা তোমার উপকার করতে চাই, দুঃখ দূর করে দিতে চাই। বুলু আগ্রহ দেখিয়ে বলে, তোমরা আমার কী উপকার করবে শেয়াল ভাই?
গিরস্থ মাছ-মাংস খেয়ে তোমাকে দেয় হাড়-কাঁটা, ভাত খেয়ে দেয় ফেন। আর বাসি-পঁচা, উচিছষ্ট খাবার তো তোমার নিত্যসঙ্গী। এসব খাবার খেয়ে গাও-গতরের কি ছিরি হয়েছে তোমার দেখ তো! আরেক শিয়াল সায় দিয়ে বুলুর গায়ে হাত বুলায়ে বলে-কী দুর্বল আর বিশ্রী দেখাচেছ তোমাকে। তোমার মালিকের বিবেক-বিবেচনা বলতে কি কিছুই নেই? তুমি সারারাত সজাগ থেকে কত কষ্ট করে মালিকের মূল্যবান স¤পদ রা কর অথচ তোমার কপালে ভাল কোন খাবারই জোটে না। ছিঃ কত অকৃতজ্ঞ আর কৃপণ তোমার মালিক! অথচ আমাদের একটু উপকার করলেই তুমি পাবে প্রতিদিন তাজা হাঁস-মুরগীর মাংস যা খেয়ে তুমি হয়ে উঠবে অনেক সুঠাম ও শক্তিশালী।
বুলু ঢোক গিলে মলিন হাসি দিয়ে বলল, ঠিক বলেছ ভাই, আমার মালিক বড় কৃপণ আর অকৃতজ্ঞ, এখন তোমাদের জন্য আমি কী করতে পারি আগে তা-ই বল।
শেয়াল বুলুর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলে- ভাই বুলু, আমরা তোমার মালিকের খোপ থেকে প্রতিদিন দুটো করে মুরগ আর দুটো করে হাঁস চুরি করে নেব। তুমি কিছুই বলতে পারবে না, একদম চুপমেরে থাকবে। চুরি করার সময় তুমি শুধু নাকডেকে ঘুমাবে, আর কিছুই করতে হবে না তোমাকে; যা করার আমরাই করব। আমরা তোমাকে প্রতিদিন একটা করে মোরগ ও হাঁসের মাংস দিয়ে যাব। তুমি কচাকচ, চপাচপ করে খাবে। আর শক্তিশালী হয়ে উঠবে, কী মজা!
বুলু আনন্দে চোখ বড় করে বলে, এত্ত!
শিয়ালেরা বলে, এত্ত‘র আর দেখলে কি। দিনে দিনে তোমার চুপ থাকার পুরস্কার খালি বেড়েই যাবে। খেয়ে খেয়ে তুমি হবে এ গাঁয়ের পালোয়ান। তোমার সাথে কেউ পারবে না, বুঝতে পারছ ব্যাপারটা কত আনন্দের আর গৌরবের?
বুলু আড়মোড়া দিয়ে খুশি মুখে বলে, অবশ্যই, অবশ্যই। তা ভাই, তোমরা চুরি করতে আসছ কখন?
শিয়াল বলে, আমরা আসব রাতে, যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে।
বুলু বলে, আমি টের পাব কীভাবে?
রাতে বাড়ির কাছে এসেই ‘কোঁ-ও-ও‘ করে একটা সংকেত দেব আর অমনি তুমি বেহুঁশ হয়ে নাক ডেকে ঘুমাতে থাকবে, কেমন?
বুলু মাথা কাত করে বলল, আইচছা।
পরের দিন রাতে বুলু অপো করতে লাগল। হঠাৎ ‘কোঁ-ও-ও‘ করে একটা সংকেত শুনতে পেল বুলু আর অমনি সে উঠোনে পড়ে নাক ডেকে বেঘোরে ঘুমুতে লাগল। শিয়ালেরা নিশ্চিন্তমনে বাড়ির ভেতরে ঢুকল। তারপর শিয়ালেরা চারদিক পরখ করে চুপি চুপি খোপ থেকে হাঁস ও মোরগ নিয়ে যেই না বেরিয়ে যাচেছ অমনি ওরা ফট্টাস করে আটকে গেল গিরস্থের পাতানো ফাঁদে। আর যায় কই। ফাঁদে পড়া তিন চালাক শিয়াল হুড়োহুড়ি আর কান্না শুরু করে দিল। গিরস্থ বাঁশ দিয়ে শুরু করল পেটানো। পেটানির চোটে শিয়ালের প্রাণ যায় যায়। একটা শিয়াল হাপাতে হাপাতে গিরস্থকে বলে, আমাদের মেরে ফেলার আগে অন্ততঃ একটা কথা শুনুন। গিরস্থ বলে, মরার আগে কী কথা বলবি, বল।
শিয়াল বলে, মারতে হয় আপনার পাহারাদার অকৃতজ্ঞ লোভী কুত্তাটাকে আগে মারুন। আপনার হাঁস-মুরগীর মাংস খাওয়ার লোভ জেগেছে তার। চুলজ্জায় সে নিজে না করে আমাদের ভাড়া করে এনেছে চুরি করতে। ডাকুন আপনার অকৃতজ্ঞ ফাজিল বুইল্লাকে, তার সামনেই বলি।
গিরস্থ ‘বুলু‘ বলে ডাক দিতেই হেলে-ডুলে হাই তুলে এসে হাজির হলো বুলু। সে অলসভাবে বলে, কী হয়েছে এখানে? এত লোক আর এত চেঁচামেচি কীশের? ইশ, একটু টেরও পেলাম না। কী গভীর ঘুমে ছিলাম রে আমি!
রক্তাক্ত শিয়াল রাগে কটমট করে বলে, তোর মালিক আমাদের পিটিয়ে ছাতু বানিয়ে ফেলল আর তুই কিনা বলছিস এখানে হচেছটা কি, টের পেলাম না, চেচাঁমেচি? ভুইগলামি বাদ দিয়ে আগে বল, তুই আমাদের কি বলেছিলে আর কি করেছিস? তুই একটা মিথ্যাবাদী বজ্জাত কুত্তা ছাড়া আর কিছুই না।
বুলু হাই তুলে ধীরে বলে, না রে চালাক শিয়াল, আমি মিথ্যাবাদীও নই, অকৃতজ্ঞও নই। তবে বলতে পারিস বুদ্ধিমান। বুদ্ধির কাছে চালাকি টিকেনা। আমি আমার কথা রেখেছি। কথা দিয়েছিলাম, চুরির সময় নাক ডেকে ঘুমাব, আমি তাই করেছি। দেখছিস না আমার ঘুমের রেশ যে এখনো কাটেনি! আর আমার প্রভূ, যিনি আমাকে এত আদর করে লালন পালন করেন, জীবন থাকতে তাঁর তি হতে দেব আমি? তাই তো আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলাম আমার প্রভুকে।
শিয়াল কাঁদো কাঁদো স্বরে বলল, এখন আমাদের কী হবে?!
বুলু হাই তুলে বিজ্ঞের মত বলল, কী আর হবে, অতি চালাকের যা হয় তোদের তা-ই হবে।

সূত্র : অনলাইন ব্লগ

Stumble
Delicious
Technorati
Twitter
Facebook

0 Comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত দিন

নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

কবিতা ছোটগল্প গল্প নিবন্ধ ছড়া টিপস রম্য গল্প প্রেমের কবিতা স্বাস্থ্য কথা কৌতুক ইসলামী সাহিত্য কম্পিউটার টিপস জানা অজানা লাইফ স্ট্যাইল স্বাধীনতা স্থির চিত্র ফিচার শিশুতোষ গল্প ইসলাম কবি পরিচিতি প্রবন্ধ ইতিহাস চিত্র বিচিত্র প্রকৃতি বিজ্ঞান রম্য রচনা লিরিক ঐতিহ্য পাখি মুক্তিযুদ্ধ শরৎ শিশু সাহিত্য বর্ষা আলোচনা বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বীরশ্রেষ্ঠ লেখক পরিচিতি স্বাস্থ টিপস উপন্যাস গাছপালা জীবনী ভিন্ন খবর হারানো ঐতিহ্য হাসতে নাকি জানেনা কেহ ছেলেবেলা ফল ফুল বিরহের কবিতা অনু গল্প প্রযুক্তি বিউটি টিপস ভ্রমণ মজার গণিত সংস্কৃতি সাক্ষাৎকার ঔষধ ডাউনলোড প্যারডী ফেসবুক মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য রম্য কবিতা সাধারণ জ্ঞান সাহিত্যিক পরিচিতি সায়েন্স ফিকশান স্বাধীনতার কবিতা স্বাধীনতার গল্প কৃষি তথ্য চতুর্দশপদী প্রেমের গল্প মোবাইল ফোন রুপকথার গল্প কাব্য ক্যারিয়ার গবেষণা গৌরব জীবনের গল্প ফটোসপ সবুজ সভ্যতা
অতনু বর্মণ অদ্বৈত মারুত অধ্যাপক গোলাম আযম অনন্ত জামান অনিন্দ্য বড়ুয়া অনুপ সাহা অনুপম দেব কানুনজ্ঞ অমিয় চক্রবর্তী অয়ন খান অরুদ্ধ সকাল অর্ক আ.শ.ম. বাবর আলী আইউব সৈয়দ আচার্য্য জগদীশচন্দ্র বসু আজমান আন্দালিব আতাউর রহমান কাবুল আতাউস সামাদ আতোয়ার রহমান আত্মভোলা (ছন্দ্রনাম) আদনান মুকিত আনিসা ফজলে লিসি আনিসুর রহমান আনিসুল হক আনোয়ারুল হক আন্জুমান আরা রিমা আবদুল ওহাব আজাদ আবদুল কুদ্দুস রানা আবদুল গাফফার চৌধুরী আবদুল মান্নান সৈয়দ আবদুল মাবুদ চৌধুরী আবদুল হাই শিকদার আবদুল হামিদ আবদুস শহীদ নাসিম আবিদ আনোয়ার আবু মকসুদ আবু সাইদ কামাল আবু সাঈদ জুবেরী আবু সালেহ আবুল কাইয়ুম আহম্মেদ আবুল মোমেন আবুল হায়াত আবুল হাসান আবুল হোসেন আবুল হোসেন খান আবেদীন জনী আব্দুল কাইয়ুম আব্দুল মান্নান সৈয়দ আব্দুল হালিম মিয়া আমানত উল্লাহ সোহান আমিনুল ইসলাম চৌধুরী আমিনুল ইসলাম মামুন আরিফুন নেছা সুখী আরিফুর রহমান খাদেম আল মাহমুদ আলম তালুকদার আশীফ এন্তাজ রবি আসমা আব্বাসী আসাদ চৌধুরী আসাদ সায়েম আসিফ মহিউদ্দীন আসিফুল হুদা আহমদ - উজ - জামান আহমদ বাসির আহমেদ আরিফ আহমেদ খালিদ আহমেদ রাজু আহমেদ রিয়াজ আহসান হাবিব আহসান হাবীব আহাম্মেদ খালিদ ইকবাল আজিজ ইকবাল খন্দকার ইব্রাহিম নোমান ইব্রাহীম মণ্ডল ইমদাদুল হক মিলন ইয়াসির মারুফ ইলিয়াস হোসেন ইশতিয়াক উত্তম মিত্র উত্তম সেন উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এ কে আজাদ এ টি এম শামসুজ্জামান এ.বি.এম. ইয়াকুব আলী সিদ্দিকী একরামুল হক শামীম একে আজাদ এনামুল হায়াত এনায়েত রসুল এম আহসাবন এম. মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার এম. হারুন অর রশিদ এরশাদ মজুদার এরশাদ মজুমদার এস এম নাজমুল হক ইমন এস এম শহীদুল আলম এস. এম. মতিউল হাসান এসএম মেহেদী আকরাম ওমর আলী ওয়াসিফ -এ-খোদা ওয়াহিদ সুজন কবি গোলাম মোহাম্মদ কমিনী রায় কাজী আনিসুল হক কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক কাজী নজরুল ইসলাম কাজী মোস্তাক গাউসুল হক শরীফ কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম কাপালিক কামরুল আলম সিদ্দিকী কামাল উদ্দিন রায়হান কায়কোবাদ (কাজেম আলী কোরেশী) কার্তিক ঘোষ কৃষ্ণকলি ইসলাম কে এম নাহিদ শাহরিয়ার কেজি মোস্তফা খন্দকার আলমগীর হোসেন খন্দকার মুহাম্মদ হামিদুল্লাহ্ খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীন খালেদ রাহী গাজী গিয়াস উদ্দিন গিয়াস উদ্দিন রূপম গিরিশচন্দ সেন গোলাম কিবরিয়া পিনু গোলাম নবী পান্না গোলাম মোস্তফা গোলাম মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার চন্দন চৌধুরী চৌধুরী ফেরদৌস ছালেহা খানম জুবিলী জ. রহমান জয়নাল আবেদীন বিল্লাল জসিম মল্লিক জসীম উদ্দিন জহির উদ্দিন বাবর জহির রহমান জহির রায়হান জাওয়াদ তাজুয়ার মাহবুব জাকিয়া সুলতানা জাকির আবু জাফর জাকির আহমেদ খান জান্নাতুল করিম চৌধুরী জান্নাতুল ফেরদাউস সীমা জাফর আহমদ জাফর তালুকদার জায়ান্ট কজওয়ে জাহাঙ্গীর আলম জাহান জাহাঙ্গীর ফিরোজ জাহিদ হোসাইন জাহিদুল গণি চৌধুরী জিয়া রহমান জিল্লুর রহমান জীবনানন্দ দাশ জুবাইদা গুলশান আরা জুবায়ের হুসাইন জুলফিকার শাহাদাৎ জেড জাওহার ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া ড. কাজী দীন মুহম্মদ ড. ফজলুল হক তুহিন ড. ফজলুল হক সৈকত ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ ড. মুহা. বিলাল হুসাইন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ড. রহমান হাবিব ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ডক্টর সন্দীপক মল্লিক ডা: সালাহ্উদ্দিন শরীফ ডা. দিদারুল আহসান তমিজ উদদীন লোদী তাজনীন মুন তানজিল রিমন তাপস রায় তামান্না শারমিন তারক চন্দ্র দাস তারাবাঈ তারেক রহমান তারেক হাসান তাসনুবা নূসরাত ন্যান্সী তাসলিমা আলম জেনী তাহমিনা মিলি তুষার কবির তৈমুর রেজা তৈয়ব খান তৌহিদুর রহমান দর্পণ কবীর দিলওয়ার হাসান দেলোয়ার হোসেন ধ্রুব এষ ধ্রুব নীল নঈম মাহমুদ নবাব আমিন নাইমুর রশিদ লিখন নাইয়াদ নাজমুন নাহার নাজমুল ইমন নাফিস ইফতেখার নাবিল নাসির আহমেদ নাসির উদ্দিন খান নাহার মনিকা নাহিদা ইয়াসমিন নুসরাত নিজাম কুতুবী নির্জন আহমেদ অরণ্য নির্মলেন্দু গুণ নিসরাত আক্তার সালমা নীল কাব্য নীলয় পাল নুরে জান্নাত নূর মোহাম্মদ শেখ নূর হোসনা নাইস নৌশিয়া নাজনীন পীরজাদা সৈয়দ শামীম শিরাজী পুলক হাসান পুষ্পকলি প্রাঞ্জল সেলিম প্রীতম সাহা সুদীপ ফকির আবদুল মালেক ফজল শাহাবুদ্দীন ফয়সাল বিন হাফিজ ফররুখ আহমদ ফাতিহা জামান অদ্রিকা ফারুক আহমেদ ফারুক নওয়াজ ফারুক হাসান ফাহিম আহমদ ফাহিম ইবনে সারওয়ার ফেরদৌসী মাহমুদ বাদশা মিন্টু বাবুল হোসেইন বিকাশ রায় বিন্দু এনায়েত বিপ্রদাশ বড়ুয়া বেগম মমতাজ জসীম উদ্দীন বেগম রোকেয়া বেলাল হোসাইন বোরহান উদ্দিন আহমদ ম. লিপ্স্কেরভ মঈনুল হোসেন মজিবুর রহমান মন্জু মতিউর রহমান মল্লিক মতিন বৈরাগী মধু মনসুর হেলাল মনিরা চৌধুরী মনিরুল হক ফিরোজ মরুভূমির জলদস্যু মর্জিনা আফসার রোজী মশিউর রহমান মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর মা আমার ভালোবাসা মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাওলানা মুহাম্মাদ মাকসুদা আমীন মুনিয়া মাখরাজ খান মাগরিব বিন মোস্তফা মাজেদ মানসুর মুজাম্মিল মানিক দেবনাথ মামুন হোসাইন মায়ফুল জাহিন মারজান শাওয়াল রিজওয়ান মারুফ রায়হান মালিহা মালেক মাহমুদ মাসুদ আনোয়ার মাসুদ মাহমুদ মাসুদা সুলতানা রুমী মাসুম বিল্লাহ মাহফুজ উল্লাহ মাহফুজ খান মাহফুজুর রহমান আখন্দ মাহবুব আলম মাহবুব হাসান মাহবুব হাসানাত মাহবুবা চৌধুরী মাহবুবুল আলম কবীর মাহমুদা ডলি মাহমুদুল বাসার মাহমুদুল হাসান নিজামী মাহ্‌মুদুল হক ফয়েজ মিতা জাহান মু. নুরুল হাসান মুজিবুল হক কবীর মুন্সি আব্দুর রউফ মুফতি আবদুর রহমান মুরাদুল ইসলাম মুস্তাফিজ মামুন মুহম্মদ নূরুল হুদা মুহম্মদ শাহাদাত হোসেন মুহাম্মদ আনছারুল্লাহ হাসান মুহাম্মদ আবু নাসের মুহাম্মদ আমিনুল হক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মুহাম্মাদ হাবীবুল্লাহ মুহিউদ্দীন খান মেজবাহ উদ্দিন মেহনাজ বিনতে সিরাজ মেহেদি হাসান শিশির মো: জামাল উদ্দিন মো. আরিফুজ্জামান আরিফ মোঃ আহসান হাবিব মোঃ তাজুল ইসলাম সরকার মোঃ রাকিব হাসান মোঃ রাশেদুল কবির আজাদ মোঃ সাইফুদ্দিন মোমিন মেহেদী মোর্শেদা আক্তার মনি মোশাররফ মোশাররফ হোসেন খান মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী মোহসেনা জয়া মোহাম্মদ আল মাহী মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন মোহাম্মদ নূরুল হক মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ্ মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ মোহাম্মদ সা'দাত আলী মোহাম্মদ সাদিক মোহাম্মদ হোসাইন মৌরী তানিয় যতীন্দ্র মোহন বাগচী রজনীকান্ত সেন রণক ইকরাম রফিক আজাদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রহমান মাসুদ রহিম রায়হান রহিমা আখতার কল্পনা রাখাল রাজিব রাজিবুল আলম রাজীব রাজু আলীম রাজু ইসলাম রানা হোসেন রিয়াজ চৌধুরী রিয়াদ রুমা মরিয়ম রেজা উদ্দিন স্টালিন রেজা পারভেজ রেজাউল হাসু রেহমান সিদ্দিক রোকনুজ্জামান খান রোকেয়া খাতুন রুবী শওকত হোসেন শওকত হোসেন লিটু শওগাত আলী সাগর শফিক আলম মেহেদী শরীফ আতিক-উজ-জামান শরীফ আবদুল গোফরান শরীফ নাজমুল শাইখুল হাদিস আল্লামা আজীজুল হক শামছুল হক রাসেল শামসুজ্জামান খান শামসুর রহমান শামস্ শামীম হাসনাইন শারমিন পড়শি শাহ আব্দুল হান্নান শাহ আলম শাহ আলম বাদশা শাহ আহমদ রেজা শাহ নেওয়াজ চৌধুরী শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ শাহজাহান কিবরিয়া শাহজাহান মোহাম্মদ শাহনাজ পারভীন শাহাদাত হোসাইন সাদিক শাহাবুদ্দীন আহমদ শাহাবুদ্দীন নাগরী শাহিন শাহিন রিজভি শিউল মনজুর শিরিন সুলতানা শিশিরার্দ্র মামুন শুভ অংকুর শেখ হাবিবুর রহমান সজীব সজীব আহমেদ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সাইদা সারমিন রুমা সাইফ আলি সাইফ চৌধুরী সাইফ মাহাদী সাইফুল করীম সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদূদী সাকিব হাসান সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ সানজানা রহমান সাবরিনা সিরাজী তিতির সামছুদ্দিন জেহাদ সামিয়া পপি সাযযাদ কাদির সারোয়ার সোহেন সালমা আক্তার চৌধুরী সালমা রহমান সালেহ আকরাম সালেহ আহমদ সালেহা সুলতানা সিকদার মনজিলুর রহমান সিমু নাসের সিরহানা হক সিরাজুল ইসলাম সিরাজুল ফরিদ সুকান্ত ভট্টাচার্য সুকুমার বড়ুয়া সুকুমার রায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সুফিয়া কামাল সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুমন সোহরাব সুমনা হক সুমন্ত আসলাম সুমাইয়া সুহৃদ সরকার সৈয়দ আরিফুল ইসলাম সৈয়দ আলমগীর সৈয়দ আলী আহসান সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী সৈয়দ তানভীর আজম সৈয়দ মুজতবা আলী সৈয়দ সোহরাব হানিফ মাহমুদ হামিদুর রহমান হাসান আলীম হাসান ভূইয়া হাসান মাহবুব হাসান শরীফ হাসান শান্তনু হাসান হাফিজ হাসিনা মমতাজ হুমায়ূন আহমেদ হুমায়ূন কবীর ঢালী হেলাল মুহম্মদ আবু তাহের হেলাল হাফিজ হোসেন মাহমুদ হোসেন শওকত হ্নীলার বাঁধন

মাসের শীর্ষ পঠিত

 
রায়পুর তরুণ ও যুব ফোরাম

.::jonaaki online::. © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ