প্রিয় পাঠক লক্ষ্য করুন

জোনাকী অনলাইন লাইব্রেরীতে আপনাকে স্বাগতম | জোনাকী যদি আপনার ভালো লাগে তবে আপনার বন্ধুদের সাথে লিংকটি শেয়ার করার অনুরোধ জানাচ্ছি | এছাড়াও যারা ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী তারা jaherrahman@gmail.com এ মেইল করার অনুরোধ করা হচ্ছে | আপনার অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ হোক আপনার প্রিয় অনলাইন লাইব্রেরী। আমাদের সকল লেখক, পাঠক- শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা- অভিনন্দন।

ওজন কমানোর সঠিক ফর্মুলা || তামান্না শারমিন


ওজন কমিয়ে ছিপছিপে হওয়ার জন্য আমাদের চেষ্টার অভাব নেই । স্ট্রিট ডায়েট, এক্সারসাইজের শাসন কোনো কিছুই মানতে অসুবিধা নেই। তবু ঠিক যতটা চাইছেন ততটা রোগা হতে পারছেন না। তাই এবার জেনে নিন ওজন কমানোর সঠিক পদ্ধতি। লিখেছেন তামান্না শারমিন
যেসব কারণে ওজন বৃদ্ধি পায়
দেহের চাহিদার অতিরিক্ত খাওয়া বিশেষ করে ফ্যাট, ক্যালসিয়াম ও ক্যালরিযুক্ত খাবার বেশি হলে ওজন বৃদ্ধি পায়। মদ্যপান, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ঘুম, স্টেরয়েড এবং অন্যান্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন বাড়তে পারে। অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ ও শারীরিক পরিশ্রম কম হলে দেহে চর্বি জমে এবং ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে থাকে।
ওজন হ্রাস করার কয়টি সহজ পদ্ধতি
যেহেতু ওজন বৃদ্ধি মেদ বা ভুঁড়ি প্রভৃতি সমস্যা সৃষ্টি করে সেহেতু আগে থেকেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। প্রথমেই ওজন বাড়ার কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন এবং ধীরে ধীরে তা প্রতিরোধ করুন। সাধারণত খাদ্যাভ্যাস, অপ্রতুল কায়িক পরিশ্রম কিংবা অসুখই এর প্রধান কারণ।
অতিরিক্ত ওজন কমানোর সহজ উপায় হলো সঠিক ও পরিমিত খাদ্য গ্রহণ এবং প্রচুর কায়িক পরিশ্রম, ব্যায়াম করা। যারা কায়িক শ্রম বেশি করেন তাদের ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। নিয়মিত হাঁটা খুব ভালো ব্যায়াম। প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে হাঁটতে পারেন, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা, ত্রিকোণ আসন প্রভৃতি ওজন কমানোর জন্য খুবই উপকারী।
চর্বি জাতীয় খাবার যেমন মাখন, তেল, গরু বা খাসির মাংস, বাটার প্রভৃতি থেকে দূরে থাকতে হবে। শরীরের জন্য এগুলো প্রয়োজন রয়েছে কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমাণে, যার কম-বেশি হলে সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য অনেক সময় দেখা যায়, ওজন কমাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেকে। এজন্য প্রয়োজন খাদ্য গ্রহণ পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া। প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি ও ফলমূল খাবেন এবং বেশি বেশি পানি পান করবেন। একবারে বেশি খাবেন না, একটু পর পর অল্প অল্প করে খাবেন। ক্ষুধা লাগলে শশা বা ফল খেয়ে নেবেন। কারণ শশা ও টকফল ওজন হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
আজকাল অপারেশনের সাহায্যে ভুঁড়ি বা মেদ কমানো হচ্ছে। লাইপোসাকশন বা অ্যাবডোমিনো ফ্লিস্টর সাহায্যে মেদ কমানো হচ্ছে। কিন্তু এটার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে অনেক।
ওজন হ্রাসকারী খাদ্যে ক্যালসিয়াম ও লোহার অভাব ঘটতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডিম, কলিজা লোহার চাহিদা পূরণ করবে। চেষ্টা করবেন লবণ বর্জিত খাদ্যগ্রহণ করতে।
এ ক্ষেত্রে খাবার মেপে মেপে খাওয়ার প্রয়োজন নেই, মোটামুটি একটা হিসাব করলেই চলবে। শরবত, কোকাকোলা, ফান্টা ইত্যাদি মৃদু পানীয় সব রকম মিষ্টি, তেলে ভাঁজা খাবার, চর্বিযুক্ত মাংস, তৈলাক্ত মাছ, বাদাম, শুকনাফল, ঘি, মাখন, সর ইত্যাদি পরিহার করা প্রয়োজন। শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাদ্য ক্যালরির প্রধান উত্স। অধিক চর্বিযুক্ত কম ক্যালরির খাদ্যে স্থূল ব্যক্তির ওজন খুব দ্রুত কমে। ওজন কমাতে পরিশ্রম ও নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সকাল :দুধ ছাড়া চা বা কফি, দুটো আটার রুটি, একবাটি সবজি সিদ্ধ, ১ বাটি কাঁচা শশা। শশা ওজন কমাতে জাদুর মতো কাজ করে।
দুপুর :৫০-৭০ গ্রাম চালের ভাত। মাছ বা মুরগির ঝোল ১ বাটি। এক বাটি সবজি ও শাক, শশার সালাদ, এক বাটি ডাল এবং ২৫০ গ্রাম টক দই।
বিকাল :দুধ ছাড়া চা বা কফি, মুড়ি বা বিস্কুট ২টা।
রাত :আটার রুটি তিনটা, একবাটি সবুজ তরকারি, একবাটি ডাল, টকদই দিয়ে এক বাটি সালাদ এবং মাখন তোলা দুধ।
দৈনিক এক গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করলে দেহে প্রোটিনের অভাব থাকে না। ৬০ কিলোগ্রাম ওজন বিশিষ্ট ব্যক্তির খাদ্য ৬০ গ্রাম প্রোটিন হলেই ভালো হয়। প্রতি মাসে একদিন ওজন মাপতে হবে, লক্ষ রাখতে হবে, ওজন বাড়ার হার কম না বেশি। ওজনবৃদ্ধি অসুখের লক্ষণ। মেদ বা ভুঁড়ি এদের অতিরিক্ত ওজন কোনোটাই স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। বরং নানা অসুখের কারণ হয়ে দেখা দেয়, একথা সবসময় মনে রাখবেন এবং স্বাস্থ্য-সচেতন হবেন।


শিশুর মানসিক বিকাশ


রোহানদের বাসায় অতিথি এসেছে, ওর খালঅ-খালু। ড্রইংরুমে বসে ওর মা-বাবা আর অতিথিরা গল্প করছেন। ছয় বছর বয়সী রোহান ওর সমবয়সী খালাতো ভাই রাফির সঙ্গে খেলছে। হঠাৎই রোহানের ঘর থেকে কান্না আর চিৎকার। ওর মা-বাবা, খালা-খালু সবাই ওর ঘরে গিয়ে হতবাক। রোহান রীতিমতো রাফির চুল ধরে টানছে আর বাজে ভাষায় গালাগালি করে ওর সঙ্গে কথা বলছে। এই দৃশ্য রোহানের মা-বাবার জন্য নতুন নয়। তবে অনেক বকাঝকা করে বাঘ মামা আর ডাইনিবুড়ির ভয় দেখিয়ে বদলাতে পারেননি ছেলের এই অভ্যাস। এরকম পরিস্থিতিতে হয়তো আপনিও পড়েছেন আপনার সন্তানকে নিয়ে। ঐ মুহূর্তের জন্য না হয় ধমক দিয়ে বা চড় দিয়ে থামিয়ে দিলেন ছোট বাচ্চাটিকে। কিন্তু এর কারণ জানার চেষ্টা করেছেন কি কখনও?
এ বিষয়ে কথা হয় সাইকোলজিস্ট শুভাশীষ বিশ্বাসের সঙ্গে। তিনি বলেন, 'যেহেতু শিশুরা তার আশপাশের সবকিছুই খুব দ্রুত রপ্ত করে নেয় এবং তাদের মধ্যে ভুল-সঠিক বোঝার সামর্থ্য থাকে না, তাই তাদের যে কোনো ভুলের জন্য পিতা-মাতার উচিত তাদের মধ্যে কোনো প্রকার ভীতির সৃষ্টি না করে আন্তরিকভাবে বোঝানো। নতুবা ভুল শাসন তাদের মানসিক বিকাশকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে।' তিনি আরও বলেন, 'আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, বর্তমানে অধিকাংশ পিতা-মাতাই এ বিষয়ে যথাযথভাবে সচেতন নয়, যা আমাদের সন্তানদের জন্য শুধু দুর্ভোগই বয়ে আনছে।'
শিশুরা তার আশপাশ থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। সাধারণত বাসায় বাবা-মায়ের ঝগড়া, বাড়ির পার্শ্ববর্তী পরিবেশ অথবা শিশুর স্কুলের পরিবেশও তাদের ভুল শিক্ষার জন্য দায়ী। সর্বপরি বাবা-মায়ের সচেতনতার অভাব শিশুদের ভুল শিক্ষার দিকে ঠেলে দেয়। বর্তমানে আকাশ সংস্কৃতির মাত্রাতিরিক্ত প্রসার এবং সেখানে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের অনুপস্থিতিও শিশুদের নৈতিকতার শিক্ষা থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে বলে সাইকোলজিস্ট শঙ্কা প্রকাশ করেন।
সাইকোলজিস্ট শুভাশীষ বিশ্বাস বলেন, 'শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য বাবা-মাকে বাসায় অবশ্যই সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ভুল-ত্রুটির জন্য কড়া শাসনে না রেখে সময় নিয়ে স্বাভাবিক ব্যবহার বজায় রেখে তাদের ভুল-ত্রুটিগুলো বুঝিয়ে দিতে হবে। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, কড়া শাসনে শিশুদের মনে বড়দের প্রতি মান্যতা ও শ্রদ্ধা লোপ পায়।' এ ছাড়া শিশুরা কাদের সঙ্গে মেশে, স্কুলে কাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে, টিভিতে কী দেখছে সে বিষয়ে খেয়াল রাখাও পিতা-মাতারই দায়িত্ব। তবে 'শিশুকে কোনো কিছু করতে বারণ করে নয়, বরং বিশ্বস্ত বল্পুব্দর মতো পাশে থেকে তাদের ভুল-ত্রুটিগুলো চিনে নিতে সহায়তা করাই বাবা-মার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা হওয়া উচিত।
আপনার সন্তানটির মানসিক বিকাশে যথার্থ পদক্ষেপ নেওয়া, বেড়ে ওঠায় সবসময় তাদের পাশে থাকা এবং বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো পাশে থেকে তাদের নৈতিকতার
দীক্ষায় গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। কারণ কিছুটা সময়, সচেতনতা, একটু আদর আর ভালোবাসাই পারে শিশুর মানসিক বিকাশের পথ মসৃণ করতে।

লেখা :কমরুল চৌধুরী
ছবি : আরমান হোসেন বাপ্পি
সূত্র : সমকাল


 অনেক পানি কেন পান করবেন


আমরা জানি, পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া আমরা একদিনও চলতে পারি না। প্রতিদিন প্রায় সব ধরনের কাজে আমাদের পানি লাগবেই। সারাদিন আমরা যত ধরনের খাবার খাই, তার মধ্যে একমাত্র পানিই হচ্ছে ক্যালরি, ফ্যাট, শর্করা ও চিনিমুক্ত। তাই যত খুশি পানি পান করুন, কোনো সমস্যা নেই। আমাদের শরীরের ৬০-৭০ ভাগ ওজনই হচ্ছে পানি। তার মানে শরীরের প্রধান উপাদান হচ্ছে পানি। কিন্তু আমরা প্রতিদিন বিভিন্নভাবে (যেমন—ইউরিন, ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ইত্যাদি) শরীর থেকে পানি হারাই। তাছাড়া শরীরকে সচল রাখতেও পানি দরকার। তাই আমাদের শরীরে দৈনিক পানির চাহিদা অনেক। শারীরিক ফিটনেস অর্জন করতে হলে খাদ্য তালিকায় প্রচুর পানি থাকতেই হবে। প্রতিদিন আমাদের প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে, না হলে অনেক রকম সমস্যা যেমন—পানিশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, কিডনির সমস্যা, শরীরের টক্সিন জমা ইত্যাদি হতে পারে।
পানি পান করার প্রয়োজনীয়তা
— পানি মেটাবলিজম বাড়ায়, পেট ভরায়/ক্ষুধা কমায়; তাই ওজন কমাতে ও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
— বরফশীতল পানি পান করলে, শরীর তা হজম করার জন্য গরম হয়, ফলে কিছু ক্যালরি খরচ হয়।
— পিপাসার্ত অবস্থায় পানি খেলে তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে। ফলে শারীরিক ক্লান্তি দূর হয় ও শক্তি ফিরে আসে। কারণ পানি রক্তে ও কোষে অক্সিজেন এবং অনান্য পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। এছাড়া সারা শরীরের রক্ত সরবরাহ ও সঞ্চালন বাড়ে পানি পান করার ফলে।
— পানির অভাবে মাসলের দুর্বলতা, অস্বস্তি বোধ হওয়া, মাথা ঘুরানো ও অন্যান্য সমস্যা হতে পারে।
— পানি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পানির অভাবে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে হিট স্ট্রোক হতে পারে।
— পানির অভাবে সারা শরীরের ও সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমন্বয় ঠিকমত হয় না।
— পানি ইউরিন, নড়বিষ সড়াবসবহঃ ও ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে দূষিত/বর্জ্য পদার্থ ও ফ্যাট বের করতে সাহায্য করে।
— পানি হজম শক্তি বাড়ায়, হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখে। কারণ আমাদের শরীরে ঠিকভাবে খাবার হজম করার জন্য প্রচুর পানি দরকার হয়। তাই প্রচুর আঁশ জাতীয় খাবারের পাশাপাশি, প্রচুর পানিও পান করতে হবে
— পানি কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। পানি ঠিকমত পান না করলে শরীর সব পানি শুষে নেয়, ফলে কোলন শুষ্ক হয়ে যায়, তাই শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ ঠিকমত বের হতে চায় না বা নড়বিষ সড়াবসবহঃ ঠিকমত হয় না।
— পানি কিডনির পাথর হওয়া থেকে বাঁচায়। কারণ, পানি ইউরিনের লবণ ও মিনারেল ভেঙে দেয়, ফলে কিডনিতে পাথর হয় না।
— ব্রেইনের ৮৫ ভাগ হচ্ছে পানি। তাই পানির অভাবে আমরা মানসিক/শারীরিক চাপে ভুগি। একটু পরপর পানি পান করলে এই মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকা যায় এবং শারীরিক শক্তি বাড়ে।
— ব্যায়াম করার সময় একটু পরপর পানি পান করতে হবে। পানি শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে, মাসলের ক্র্যাম্প থেকে রক্ষা করে, শরীরের শক্তি ঠিক রাখে। তাই অনেক সময় ধরে সঠিকভাবে ব্যায়াম করা যায়। শুধু কার্ডিও ব্যায়াম নয়, ওয়েট ট্রেনিং করার সময়ও একটু পরপর পানি খেতে হবে । তাহলে মাসলে পানিশূন্যতা হবে না ও ব্যায়াম ভালো কাজ করবে।
পানি হচ্ছে প্রাকৃতিক ক্রিম, যা ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়। পানিশূন্যতা আমাদের ত্বকে বলিরেখা ফেলে। তাই প্রচুর পানি পান করলে বলিরেখা থেকে মুক্ত থাকা যায়। কারণ পানি কোষের পানি বাড়ায়, ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়বে ও বয়স কম মনে হয়। তাছাড়া পানি শরীর থেকে সব দূষিত পদার্থ বের করে দেয়, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, তাই ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়। তাই হেলদি, উজ্জ্বল, মোলায়েম/কোমল ত্বক পেতে প্রচুর পানি পান করতে হবে।
— ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এক সপ্তাহ প্রচুর পানি পান করুন এবং এক সপ্তাহ পর লক্ষ্য করুন উজ্জ্বল ত্বক।
— পানি রোগমুক্ত রেখে ও ত্বক সজীব রেখে তারুণ্য ধরে রাখে।
— প্রচুর পানি পান করলে কিছু ক্যান্সার, যেমন—কোলন, ব্লাডার ও ব্রেস্ট ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
— জয়েন্টের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। কারণ জয়েন্টের মেইন লুব্রিকেন্ট হচ্ছে পানি।
জয়েন্ট (Arthritis) ও ব্যাক পেইনের রোগীরা তাই প্রচুর পানি পান করলে উপকার পান।
— পানি মাথাব্যথা দূর করে ও প্রতিরোধ করে।
— পানি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। কারণ পানি হার্ট ও ব্রেইনের জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ করে।
— পানি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
— মস্তিষ্কের/ব্রেইনের ক্ষমতা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধ করে।
— গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমায়, হজমের সমস্যা ও জ্বালাপোড়া কমায়।
— রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, তাই উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
প্রতিদিন কতটুকু পানি পান করবেন?
প্রতিদিন কত গ্লাস পানি পান করবেন তা নির্ভর করে আপনার স্বাস্থ্য, ওজন, কোথায় বাস করেন—গরম না ঠাণ্ডা আবহাওয়ায়, আপনি কত কর্মঠ ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম কেমন করেন ইত্যাদির ওপর। তাছাড়া আপনি আর অন্য কী পানীয় যেমন—চা, লাচ্ছি, জুস, ডাবের পানি ইত্যাদি খান, তার ওপরও নির্ভর করবে দৈনিক কত গ্লাস পানি পান করবেন।
সাধারণত পুষ্টিবিদেরা বলেন, দৈনিক অন্তত ৮ গ্লাস পানীয় পান করতে। তার মানে, সব ধরনের পানীয় ও পানিসহ দৈনিক অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে।
ঞযব ওহংঃরঃঁঃব ড়ভ গবফরপরহব-এর মতে পুরুষদের জন্য দৈনিক অন্তত ৩ লিটার বা ১২ গ্লাস এবং মহিলাদের জন্য অন্তত ২ লিটার বা ৮ গ্লাস পানি পান করা দরকার।
ঞযব ওহংঃরঃঁঃব ড়ভ গবফরপরহব’ং ঋড়ড়ফ ধহফ ঘঁঃত্রঃরড়হ ইড়ধত্ফ ১৯৯৪ সালে আরেকটি তথ্য প্রকাশ করেছে যে, মহিলাদের জন্য ৯১ আউন্স এবং পুরুষদের জন্য ১২৫ আউন্স পানি পান করতে হবে।
আরেকটি নিয়ম হচ্ছে—আপনার ওজন যত পাউন্ড, ঠিক তার অর্ধেক আউন্স পানি খেতে হবে। যেমন—আপনার ওজন যদি হয় ১৬০ পাউন্ড, তবে আপনাকে ৮০ আউন্স পানি পান করতে হবে। এই পানি সব রকম পানীয়ের হিসাব। তবে ৮০ আউন্সের ৮০ ভাগ বা ৬৪ আউন্স, শুধু পানি খেলে ভালো। মনে রাখবেন, ৮ আউন্স = এক গ্লাস পানি।
তবে আপনি যদি সুস্থ-সবল হন, তবে পানি খাওয়ার হিসাব নিয়ে খুব বেশি চিন্তার কারণ নেই। পিপাসা পেলে, স্বাভাবিকভাবে পানি পান করলেই চলবে। কিন্তু আপনি যদি খেলোয়াড় হন, ব্যায়াম করেন বা অনেক ঘামেন, তাহলে আরও বেশি পানি পান করতে হবে।
অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় শরীর থেকে অনেক পানি বের হয়, তাই অনেক বেশি পানি পান করতে হবে। অসুস্থ হলে যেমন : জ্বর, ডায়রিয়া, বমি হওয়ার পর অনেক বেশি পানি পান করতে হবে।
কীভাবে বুঝবেন যে আপনি সঠিক পরিমাণে পানি পান করছেন?
আপনি যদি সব সময় তৃষ্ণার্ত বোধ না করেন।
আপনার যদি দৈনিক ১.৫ লিটার ইউরিন হয়।
যদি ইউরিনের রং সাদা বা হালকা হলুদ হয়।
ইউরিনের রং হলুদ হলে আপনি সঠিক পরিমাণে পানি পান করছেন না। আপনার নড়বিষ সড়াবসবহঃ যদি ঠিকমত হয় এবং আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য না হয়।
পানি পান করার প্রয়োজনীয়তা কত তা অনুধাবন করে, আপনার সঙ্গে তাই সব সময় বিশুদ্ধ খাবার পানি রাখুন ও বেশি বেশি পানি পান করুন। গরমের দিনে অনেক বেশি পানি পান করে শরীর ঠিক রাখুন। হেলদি লাইফ স্টাইল মেনে চলার খুব সহজ একটি উপায় হচ্ছে প্রতিদিন অনেক বেশি পানি পান করা। তাহলে আপনাকে সুস্থ, সুন্দর ও সবল দেখাবে।
সূত্র: আমার দেশ


ওষুধ যখন বিপদের কারণ || ডা. দিদারুল আহসান


রোগ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য আমরা ওষুধ খাই; কিন্তু সেই ওষুধই আবার কখনও কখনও রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, বিশেষ করে চর্মরোগে। বেশ কিছু চর্মরোগ আছে যার নেপথ্যে মূল ভূমিকায় রয়েছে কোনো না কোনো ওষুধ। অসংখ্য রোগ রয়েছে যা ওষুধের কারণে হয়, যার মধ্যে একটি হচ্ছে ফলিয়েটিভ ইরাইথ্রোডার্মা। এই রোগের অন্তত ১১ শতাংশের কারণ হচ্ছে কোনো না কোনো ওষুধ। যে ওষুধগুলোর ব্যবহার থেকে এ রোগ হতে দেখা যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সালফার, যা কিন্তু অহরহই ব্যবহার করা হচ্ছে। আরও আছে অ্যালুপুরিনল, ফেনিটমেন, ফেনোবারবিটাল, আইসোনায়েড, আয়োডিন ইত্যাদি। এ রোগের ক্ষেত্রে শরীরজুড়ে আঁশ হতে দেখা যায়, যা ঘষা দিলে ঝরে পড়তে থাকে। শুরুতে লাল লাল দাগ দিয়ে ত্বকে শুরু হলেও ক্রমান্বয়ে তার বিস্তার ঘটতে থাকে ও পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু দিনের মধ্যেই ত্বকে আঁশ আকারে উঠে আসতে থাকে। পরবর্তী সময়ে রোগীর অবস্থা খারাপ হয় এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন দেখা দেয়। সঠিক চিকিত্সা না হলে তার জীবনে শঙ্কা তৈরি হয়। এমন আরেকটি রোগ হচ্ছে ড্রাগ ইরাপশন। নাম থেকেই বোঝা যায় ড্রাগ বা ওষুধের কারণেই এ রোগটি হয়। এক্ষেত্রে ত্বকের গায়ে র্যাশ বা চাকা ওঠে, যা দেখলেই মনে হয় যেন হাম উঠেছে কিংবা অ্যালার্জি উঠেছে।

ওষুধের কারণে যা হতে পারে
ওষুধের কারণে সাধারণভাবে দুই ধরনের র্যাশ হয় যেমন—আর্টিকেরিয়া, যাতে চাকা হয় এবং চুলকানি থাকে। আর এক ধরনের র্যাশ হলো : রবিফিলিফর্ম। শেষেরটা বেশি পাওয়া যায় এবং শরীরজুড়ে লাল লাল দাগ অথবা ছোট ছোট দানা বা গোটার আকারে লালচে রঙের হতে দেখা যায়। যেহেতু ওষুধের কারণেই এই রোগটি হয় তাই এ ধরনের র্যাশ দেখা দেয়া মাত্র ওষুধ বন্ধ করে দিতে হবে। সাধারণত যেসব ওষুধের কারণে এ রোগ হয় তা হলো অ্যামোক্সাসিলিন, কোট্রামাইসোল, অ্যামপিসিলিন, পেনিসিলিন, সেফালোসেপারিন, ইরাইথ্রোমাইসিন, সিমেটাডিন ইত্যাদি।
ফিঙ ড্রাগ ইরাপশন নামের আরেকটি রোগে ওষুধ খেলে বারবারই এরকম উপসর্গ নিয়ে রোগটি দেখা দেয়। যতবার ওষুধটি খাবেন ততবারই ত্বকে এ রোগটি একইভাবে দেখা যাবে। দেখতে গোলাকার ডিম্বাকৃতির লালচে চুলকানিযুক্ত, উঁচু অথবা ফোসকাযুক্ত যে কোনোভাবে দৃশ্যমান হতে পারে, যা সেরে যাওয়ার পর স্থানটি কালো রঙের হয়ে থাকে অনেক দিন পর্যন্ত। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ওষুধ যার কারণে রোগটি হয় যেমন— টেপ্রাসাইক্লিন, সালফোনামাইড, বারবিচুরেট, স্যালিসাইলেটস ইত্যাদি।
স্টেভাসন জনসনস সিনড্রম নামের আরেকটি রোগও ওষুধের কারণেই হয়। রোগটি অত্যন্ত জটিল এবং এর থেকে জীবননাশও ঘটতে পারে। প্রথমে ফোসকা আকারে দেখা দেয় যা ঠোঁট, জিহ্বা, মুখের ভেতরে ঘা হয়ে দেখা দেয়। চোখে আক্রমণ ঘটলে অন্ধত্ব বরণ করতে হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মুখ, হাত ও পায়ের তালুতে ফোসকা নিয়ে উঠতে দেখা যায়। ফুসফুস আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়া দেখা দিতে পারে। এছাড়া গিরায় ব্যথা, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, যকৃত্ বড় হওয়া এবং রক্তের মধ্যেও ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়তে পারে। অনেক ক্ষেত্রে চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ হয় যা চামড়ার ওপর দিয়ে লাল লাল ছোট অথবা বড় দাগ নিয়ে দেখা দেয়, যেটা কখনও কখনও খুবই মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, যদি ঠিক সময় ওষুধ খাওয়া শুরু করা না হয়। রোগটির জন্য দায়ী কয়েকটি ওষুধ হলো বারবিচুরেট, কুইনিডিন, ফিনাইলবুটাজোন ইত্যাদি।
একটি কথা মনে রাখতে হবে, ওষুধ কিন্তু এক ধরনের বিষ। সাধারণত তা জীবাণুর জন্য বিষ হিসেবে কাজ করে। তবে কখনও কখনও শরীরেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করে। তাই ওষুধ থেকে দূরে নয়, ওষুধ ব্যবহারে সতর্ক থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।

লেখক : চর্ম, অ্যালার্জি ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
আল-রাজী হাসপাতাল
ফার্মগেট, ঢাকা।


স্বাস্থ্য রক্ষায় পুদিনা পাতা


পুদিনা পাতা প্রাচীনকাল থেকেই বেশ জনপ্রিয় ওষুধ হিসেবে পরিচিত। বহু রোগের আরোগ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পুদিনা পাতা এক ধরনের সুগন্ধি গাছ। এই গাছের পাতা তরি-তরকারির সঙ্গে সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিশ্বের অনেক দেশেই পুদিনার গাছ জন্মে। এর পাতা সুগন্ধি হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য স্থানীয় নাম—গরহঃ, হধহধ। এর বৈজ্ঞানিক নাম গবহঃযধ ংঢ়রপধঃধ। এটি খধসরধপবধব পরিবারের অন্তর্গত।
পেটের পীড়ায় : এটি ইরেটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) এবং দীর্ঘস্থায়ী বদহজমের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর। এছাড়াও পুদিনা কোলনের পেশি সঙ্কোচন নিয়ন্ত্রণ করে।
অ্যাজমা : পুদিনায় রোজমেরিক এসিড নামের এক ধরনের উপাদান থাকে। এটি প্রাকপ্রদাহী পদার্থ তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে অ্যাজমা হয় না। এছাড়াও এ ঔষধি প্রোস্টসাইক্লিন তৈরিতে বাধা দেয়। তাতে শাসনালী পরিষ্কার থাকে।
এন্টিক্যান্সার : পুদিনায় আছে মনোটারপিন নামক উপাদান। যা স্তন, লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। নিয়মিত খেলে ফুসফুস, কোলন এবং ত্বকের ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

পুদিনার ভেষজগুণ
পুদিনা খুবই উপকারী একটি উদ্ভিদ। আমাদের শরীরের নানা রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। মুখের স্বাদ বাড়াতেও এটি খুব কার্যকর। আরও যেসব ক্ষেত্রে পুদিনার পাতা ব্যবহার করা যায়, তা হলো :
১. পুদিনার তাজা পাতা পিষে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর যদি তা ধুয়ে ফেলা যায়, তাহলে মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যায়। ব্রণ ওঠাও বন্ধ হয়।
২. পুদিনার পাতা পিষে রস করে তার ভেতর দু’তিন ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে তা পান করলে ক্লান্তিভাবও দূর হয়।
৩. কোনো কারণে কোনো ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার নাকের কাছে কিছু তাজা পুদিনা পাতা ধরুন। দেখবেন, লোকটি জ্ঞান ফিরে পেয়েছে।
৪. পুদিনার পাতা ভালো করে পিষে তার রস ভালো করে মাথায় ব্যবহার করুন। যাদের চুলে উকুন আছে তারা খুব উপকার পাবেন।
৫. শরীরের ব্যথা দূর করতে পুদিনা পাতার চা খুব কাজে দেয়।
৬. মাথা ও পেট ব্যথা নিরাময়েও পুদিনার পাতা খুব উপকারী।
৭. যাদের মাঝে মধ্যে হেঁচকি ওঠে, তারা পুদিনা পাতার সঙ্গে গোল মরিচ পিষে তা ছেঁকে নিয়ে রসটুকু পান করুন। দেখবেন হেঁচকি বন্ধ হয়ে গেছে।
সূত্র : আমার দেশ


ব্যাক পেইনের সমস্যায়


ব্যাক পেইনের সমস্যায় আজকাল বেশিরভাগ মানুষই কষ্ট পান। শোয়া-বসা সবকিছুই তখন অসহ্য লাগে। চলুন এ যন্ত্রণা থেকে কী করে মুক্তি পাবেন তার কিছু উপায় জেনে নিই। চিকিত্সকদের মতে, রাতে শোয়ার সময় একভাবে শুয়ে থাকবেন না। মাঝে মাঝে ডান দিকে মুখ করে ঘুমান। তো কখনও বাঁ দিকে মুখ করে শুতে পারেন। বিছানাতে গদি রাখবেন না। শুধু মাদুরের ওপর শুয়ে থাকুন। বিছানায় শুয়ে কখনও টিভি দেখবেন না। খবরের কাগজ পড়বেন না। যদি শুয়ে শুয়ে টিভি দেখার চেষ্টা করেন তাহলে আপনার ব্যথাটা বেড়ে যাবে। কখনও একভাবে বসে থাকবেন না। একভাবে বসে থাকার ফলে আপনার মাংসপেশির ওপর চাপ পড়বে। তাই মাঝে মাঝে নিজের বসার অবস্থাটা পরিবর্তন করুন। চিকিত্সকরা বলেন, যদি আপনি একনাগাড়ে কোথাও বসে থাকেন, যেমন—সিনেমা হলে মুভি দেখতে গেছেন, তখন একনাগাড়ে বসে থাকতে হয়। তখন পায়ের ওপর পা দিয়ে বসুন। এতে আপনার মাংসপেশির ওপর চাপ পড়বে না। বাড়িতে যে কোনো কাজের জিনিস হাতের কাছে রাখুন। সেগুলো নিতে গিয়ে আপনাকে যেন ঝুঁকতে না হয়। ওয়ালেট রাখার বিষয়ে সতর্ক হয়ে যান। পুরুষরা বিশেষ করে পেছনের পকেটে কখনও ওয়ালেট রাখবেন না। ভারি জিনিস কখনও তুলবেন না। মহিলাদের ক্ষেত্রে সন্তান হওয়ার পর ওজন যাতে না বেড়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।


বুকে ব্যথার অন্তর্নিহিত কারণ


বুকে ব্যথা এক ধরনের জটিল সমস্যা। এ সমস্যা এত জটিল যার ফলে কোনো ব্যক্তিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগেও যাওয়া লাগতে পারে। বিভিন্ন কারণে বুকে ব্যথা হয়ে থাকে। প্রথমে দেখতে হবে বুকে ব্যথা আঘাতজনিত কারণে না আঘাতবিহীন কারণে। যদি আঘাতবিহীন কারণে বুকে ব্যথা হয় তাহলে প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে হৃদরোগজনিত কারণে না অন্য কোনো কারণে বুকে ব্যথা হয়েছে। এ কারণ নির্ধারণের জন্য রোগীর কাছ থেকে রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে এবং এরপর শারীরিক ও ল্যাব পরীক্ষা করে সঠিক রোগ নির্ণয় করলে বেশিরভাগ বুকের ব্যথা ভালো করা সম্ভব।

বুক ব্যথার কারণ : হৃদরোগজনিত, িফুসফুসজনিত কারণ, িমাংসপেশিজনিত , িখাদ্যনালীজনিত কারণ, িমানসিক ও অন্যান্য কারণ।

বুকে ব্যথার প্রকৃতি : চাপ চাপ ব্যথা, মনে হয় বুকের মাঝখানে পাথর বসিয়ে রেখেছে এমন, দম বন্ধ হয়ে আসে এমন বা অনুভূতিহীন যেমন হৃদরোগজনিত কারণ। তীব্র ব্যথা, ছুরি দিয়ে আঘাত করলে যেমন মনে হয়, পোড়ানো ব্যথা, শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র ব্যথা_ ফুসফুসজনিত কারণ যেমন নিমোনিয়া, পালমোনারি অ্যামবলিজম, হৃদযন্ত্রের প্রদাহ।

হঠাৎ তীব্র পীড়াদায়ক ব্যথা বুকের সামনে থেকে পেছনে চলে যায় অড়ৎঃরপ উবংবপঃরড়হ (ধমনি ছেঁড়াজনিত কারণ) বুকে ব্যথা পরিশ্রম করলে, দুশ্চিন্তা করলে, ঠাণ্ডা আবহাওয়ার সংস্পর্শে আসলে, দুঃস্বপ্ন দেখলে বাড়ে। কিন্তু বিশ্রাম নিলে জিহ্বার নিচে নাইট্রেটজাতীয় ওষুধ দিলে কমে তাহলে হৃদরোগ হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। খাবার পর, শোবার সময়, গরম খাবার, মদ পান করলে এবং খালি পেটে যদি ব্যথা বাড়ে, অ্যান্টাসিড জাতীয় ওষুধ খেলে কমে যায়, তাহলে খাদ্যনালীজনিত কারণ।

বুকে ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে হৃদরোগ, পালমোনারি অ্যামবলিজম নিমোনিয়া নিউমোথোরাক্স হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। পরিশ্রম করার কিছুক্ষণ পর থেকে ব্যথা শুরু হয়, বিশ্রাম নিলেও ব্যথা থাকে, ব্যথা নিরাময় জাতীয় ওষুধ (যেমন উরপষড়ভবহ) জাতীয় ওষুধ থেকে ব্যথা কমে তাহলে মাংসপেশিজনিত কারণ বলে সন্দেহ করা হয়।

জরুরি বিভাগে বুকের ব্যথাজনিত কারণে যেসব রোগী আসে তার শতকরা ১০ ভাগের বেশি আসে মানসিক বা দুশ্চিন্তাজনিত কারণে।
অনেক সময় পেটে ব্যথার সঙ্গে বুকে ব্যথা থাকতে পারে। যেমন পিত্তথলিতে পাথর অথবা চধহপৎবধঃরঃরং কারণে হয়। যে কারণেই বুকে ব্যথা হোক না কেন রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা যেমন বুকের এক্সরে, ইসিজি জাতীয় পরীক্ষা করে দ্রুত রোগ নির্ণয় করতে হবে এবং সঠিক চিকিৎসা করালে বেশির ভাগ রোগী ভালো হয়ে যায় এবং অনেক সময় দ্রুত হৃদরোগ নির্ণয় করা যায় এবং সঠিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কোনো রোগের কারণ না পাওয়া যায় সেই ক্ষেত্রে রোগীকে সঠিক উপদেশ দিয়েও বুকের ব্যথা ভালো করা সম্ভব।

লেখক : পরিচালক
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
মহাখালী, ঢাকা। ফোন : ০১৭১১-১৭১৬৩৪ 


নির্বাচিত বিষয়গুলো দেখুন

কবিতা ছোটগল্প গল্প নিবন্ধ ছড়া টিপস রম্য গল্প প্রেমের কবিতা ইসলামী সাহিত্য স্বাস্থ্য কথা কৌতুক কম্পিউটার টিপস জানা অজানা লাইফ স্ট্যাইল স্বাধীনতা স্থির চিত্র ইসলাম ফিচার শিশুতোষ গল্প কবি পরিচিতি প্রবন্ধ ইতিহাস চিত্র বিচিত্র প্রকৃতি বিজ্ঞান রম্য রচনা লিরিক ঐতিহ্য পাখি মুক্তিযুদ্ধ শরৎ শিশু সাহিত্য বর্ষা আলোচনা বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বীরশ্রেষ্ঠ লেখক পরিচিতি স্বাস্থ টিপস উপন্যাস গাছপালা জীবনী ভিন্ন খবর হারানো ঐতিহ্য হাসতে নাকি জানেনা কেহ ছেলেবেলা ফল ফুল বিরহের কবিতা অনু গল্প প্রযুক্তি বিউটি টিপস ভ্রমণ মজার গণিত সংস্কৃতি সাক্ষাৎকার ঔষধ গবেষণা ডাউনলোড প্যারডী ফেসবুক মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য রম্য কবিতা সাধারণ জ্ঞান সাহিত্যিক পরিচিতি সায়েন্স ফিকশান স্বাধীনতার কবিতা স্বাধীনতার গল্প কৃষি তথ্য চতুর্দশপদী প্রেমের গল্প মোবাইল ফোন রুপকথার গল্প কাব্য ক্যারিয়ার গৌরব জীবনের গল্প ফটোসপ সবুজ সভ্যতা
অতনু বর্মণ অদ্বৈত মারুত অধ্যাপক গোলাম আযম অনন্ত জামান অনিন্দ্য বড়ুয়া অনুপ সাহা অনুপম দেব কানুনজ্ঞ অমিয় চক্রবর্তী অরুদ্ধ সকাল অর্ক অয়ন খান আ.শ.ম. বাবর আলী আইউব সৈয়দ আচার্য্য জগদীশচন্দ্র বসু আজমান আন্দালিব আতাউর রহমান কাবুল আতাউস সামাদ আতোয়ার রহমান আত্মভোলা (ছন্দ্রনাম) আদনান মুকিত আনিসা ফজলে লিসি আনিসুর রহমান আনিসুল হক আনোয়ারুল হক আন্জুমান আরা রিমা আবদুল ওহাব আজাদ আবদুল কুদ্দুস রানা আবদুল গাফফার চৌধুরী আবদুল মান্নান সৈয়দ আবদুল মাবুদ চৌধুরী আবদুল হাই শিকদার আবদুল হামিদ আবদুস শহীদ নাসিম আবিদ আনোয়ার আবু মকসুদ আবু সাইদ কামাল আবু সাঈদ জুবেরী আবু সালেহ আবুল কাইয়ুম আহম্মেদ আবুল মোমেন আবুল হাসান আবুল হায়াত আবুল হোসেন আবুল হোসেন খান আবেদীন জনী আব্দুল কাইয়ুম আব্দুল মান্নান সৈয়দ আব্দুল হালিম মিয়া আমানত উল্লাহ সোহান আমিনুল ইসলাম চৌধুরী আমিনুল ইসলাম মামুন আরিফুন নেছা সুখী আরিফুর রহমান খাদেম আল মাহমুদ আলম তালুকদার আশীফ এন্তাজ রবি আসমা আব্বাসী আসাদ চৌধুরী আসাদ সায়েম আসিফ মহিউদ্দীন আসিফুল হুদা আহমদ - উজ - জামান আহমদ বাসির আহমেদ আরিফ আহমেদ খালিদ আহমেদ রাজু আহমেদ রিয়াজ আহসান হাবিব আহসান হাবীব আহাম্মেদ খালিদ ইকবাল আজিজ ইকবাল খন্দকার ইব্রাহিম নোমান ইব্রাহীম মণ্ডল ইমদাদুল হক মিলন ইলিয়াস হোসেন ইশতিয়াক ইয়াসির মারুফ উত্তম মিত্র উত্তম সেন উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এ কে আজাদ এ টি এম শামসুজ্জামান এ.বি.এম. ইয়াকুব আলী সিদ্দিকী একরামুল হক শামীম একে আজাদ এনামুল হায়াত এনায়েত রসুল এম আহসাবন এম. মুহাম্মদ আব্দুল গাফফার এম. হারুন অর রশিদ এরশাদ মজুদার এরশাদ মজুমদার এস এম নাজমুল হক ইমন এস এম শহীদুল আলম এস. এম. মতিউল হাসান এসএম মেহেদী আকরাম ওমর আলী ওয়াসিফ -এ-খোদা ওয়াহিদ সুজন কবি গোলাম মোহাম্মদ কমিনী রায় কাজী আনিসুল হক কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক কাজী নজরুল ইসলাম কাজী মোস্তাক গাউসুল হক শরীফ কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম কাপালিক কামরুল আলম সিদ্দিকী কামাল উদ্দিন রায়হান কার্তিক ঘোষ কায়কোবাদ (কাজেম আলী কোরেশী) কৃষ্ণকলি ইসলাম কে এম নাহিদ শাহরিয়ার কেজি মোস্তফা খন্দকার আলমগীর হোসেন খন্দকার মুহাম্মদ হামিদুল্লাহ্ খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীন খালেদ রাহী গাজী গিয়াস উদ্দিন গিরিশচন্দ সেন গিয়াস উদ্দিন রূপম গোলাম কিবরিয়া পিনু গোলাম নবী পান্না গোলাম মোস্তফা গোলাম মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার চন্দন চৌধুরী চৌধুরী ফেরদৌস ছালেহা খানম জুবিলী জ. রহমান জসিম মল্লিক জসীম উদ্দিন জহির উদ্দিন বাবর জহির রহমান জহির রায়হান জাওয়াদ তাজুয়ার মাহবুব জাকির আবু জাফর জাকির আহমেদ খান জাকিয়া সুলতানা জান্নাতুল করিম চৌধুরী জান্নাতুল ফেরদাউস সীমা জাফর আহমদ জাফর তালুকদার জাহাঙ্গীর আলম জাহান জাহাঙ্গীর ফিরোজ জাহিদ হোসাইন জাহিদুল গণি চৌধুরী জায়ান্ট কজওয়ে জিয়া রহমান জিল্লুর রহমান জীবনানন্দ দাশ জুবাইদা গুলশান আরা জুবায়ের হুসাইন জুলফিকার শাহাদাৎ জেড জাওহার জয়নাল আবেদীন বিল্লাল ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া ড. কাজী দীন মুহম্মদ ড. ফজলুল হক তুহিন ড. ফজলুল হক সৈকত ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ ড. মুহা. বিলাল হুসাইন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ড. রহমান হাবিব ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ডক্টর সন্দীপক মল্লিক ডা. দিদারুল আহসান ডা: সালাহ্উদ্দিন শরীফ তমিজ উদদীন লোদী তাজনীন মুন তানজিল রিমন তাপস রায় তামান্না শারমিন তারক চন্দ্র দাস তারাবাঈ তারেক রহমান তারেক হাসান তাসনুবা নূসরাত ন্যান্সী তাসলিমা আলম জেনী তাহমিনা মিলি তুষার কবির তৈমুর রেজা তৈয়ব খান তৌহিদুর রহমান দর্পণ কবীর দিলওয়ার হাসান দেলোয়ার হোসেন ধ্রুব এষ ধ্রুব নীল নঈম মাহমুদ নবাব আমিন নাইমুর রশিদ লিখন নাইয়াদ নাজমুন নাহার নাজমুল ইমন নাফিস ইফতেখার নাবিল নাসির আহমেদ নাসির উদ্দিন খান নাহার মনিকা নাহিদা ইয়াসমিন নুসরাত নিজাম কুতুবী নির্জন আহমেদ অরণ্য নির্মলেন্দু গুণ নিসরাত আক্তার সালমা নীল কাব্য নীলয় পাল নুরে জান্নাত নূর মোহাম্মদ শেখ নূর হোসনা নাইস নৌশিয়া নাজনীন পীরজাদা সৈয়দ শামীম শিরাজী পুলক হাসান পুষ্পকলি প্রাঞ্জল সেলিম প্রীতম সাহা সুদীপ ফকির আবদুল মালেক ফজল শাহাবুদ্দীন ফররুখ আহমদ ফাতিহা জামান অদ্রিকা ফারুক আহমেদ ফারুক নওয়াজ ফারুক হাসান ফাহিম আহমদ ফাহিম ইবনে সারওয়ার ফেরদৌসী মাহমুদ ফয়সাল বিন হাফিজ বাদশা মিন্টু বাবুল হোসেইন বিকাশ রায় বিন্দু এনায়েত বিপ্রদাশ বড়ুয়া বেগম মমতাজ জসীম উদ্দীন বেগম রোকেয়া বেলাল হোসাইন বোরহান উদ্দিন আহমদ ম. লিপ্স্কেরভ মঈনুল হোসেন মজিবুর রহমান মন্জু মতিউর রহমান মল্লিক মতিন বৈরাগী মধু মনসুর হেলাল মনিরা চৌধুরী মনিরুল হক ফিরোজ মরুভূমির জলদস্যু মর্জিনা আফসার রোজী মশিউর রহমান মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর মা আমার ভালোবাসা মাইকেল মধুসূদন দত্ত মাওলানা মুহাম্মাদ মাকসুদা আমীন মুনিয়া মাখরাজ খান মাগরিব বিন মোস্তফা মাজেদ মানসুর মুজাম্মিল মানিক দেবনাথ মামুন হোসাইন মারজান শাওয়াল রিজওয়ান মারুফ রায়হান মালিহা মালেক মাহমুদ মাসুদ আনোয়ার মাসুদ মাহমুদ মাসুদা সুলতানা রুমী মাসুম বিল্লাহ মাহফুজ উল্লাহ মাহফুজ খান মাহফুজুর রহমান আখন্দ মাহবুব আলম মাহবুব হাসান মাহবুব হাসানাত মাহবুবা চৌধুরী মাহবুবুল আলম কবীর মাহমুদা ডলি মাহমুদুল বাসার মাহমুদুল হাসান নিজামী মাহ্‌মুদুল হক ফয়েজ মায়ফুল জাহিন মিতা জাহান মু. নুরুল হাসান মুজিবুল হক কবীর মুন্সি আব্দুর রউফ মুফতি আবদুর রহমান মুরাদুল ইসলাম মুস্তাফিজ মামুন মুহম্মদ নূরুল হুদা মুহম্মদ শাহাদাত হোসেন মুহাম্মদ আনছারুল্লাহ হাসান মুহাম্মদ আবু নাসের মুহাম্মদ আমিনুল হক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মুহাম্মাদ হাবীবুল্লাহ মুহিউদ্দীন খান মেজবাহ উদ্দিন মেহনাজ বিনতে সিরাজ মেহেদি হাসান শিশির মো. আরিফুজ্জামান আরিফ মো: জামাল উদ্দিন মোঃ আহসান হাবিব মোঃ তাজুল ইসলাম সরকার মোঃ রাকিব হাসান মোঃ রাশেদুল কবির আজাদ মোঃ সাইফুদ্দিন মোমিন মেহেদী মোর্শেদা আক্তার মনি মোশাররফ মোশাররফ হোসেন খান মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী মোহসেনা জয়া মোহাম্মদ আল মাহী মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন মোহাম্মদ নূরুল হক মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ্ মোহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ মোহাম্মদ সা'দাত আলী মোহাম্মদ সাদিক মোহাম্মদ হোসাইন মৌরী তানিয় যতীন্দ্র মোহন বাগচী রজনীকান্ত সেন রণক ইকরাম রফিক আজাদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রহমান মাসুদ রহিম রায়হান রহিমা আখতার কল্পনা রাখাল রাজিব রাজিবুল আলম রাজীব রাজু আলীম রাজু ইসলাম রানা হোসেন রিয়াজ চৌধুরী রিয়াদ রুমা মরিয়ম রেজা উদ্দিন স্টালিন রেজা পারভেজ রেজাউল হাসু রেহমান সিদ্দিক রোকনুজ্জামান খান রোকেয়া খাতুন রুবী শওকত হোসেন শওকত হোসেন লিটু শওগাত আলী সাগর শফিক আলম মেহেদী শরীফ আতিক-উজ-জামান শরীফ আবদুল গোফরান শরীফ নাজমুল শাইখুল হাদিস আল্লামা আজীজুল হক শামছুল হক রাসেল শামসুজ্জামান খান শামসুর রহমান শামস্ শামীম হাসনাইন শারমিন পড়শি শাহ আব্দুল হান্নান শাহ আলম শাহ আলম বাদশা শাহ আহমদ রেজা শাহ নেওয়াজ চৌধুরী শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ শাহজাহান কিবরিয়া শাহজাহান মোহাম্মদ শাহনাজ পারভীন শাহাদাত হোসাইন সাদিক শাহাবুদ্দীন আহমদ শাহাবুদ্দীন নাগরী শাহিন শাহিন রিজভি শিউল মনজুর শিরিন সুলতানা শিশিরার্দ্র মামুন শুভ অংকুর শেখ হাবিবুর রহমান সজীব সজীব আহমেদ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত সাইদা সারমিন রুমা সাইফ আলি সাইফ চৌধুরী সাইফ মাহাদী সাইফুল করীম সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদূদী সাকিব হাসান সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ সানজানা রহমান সাবরিনা সিরাজী তিতির সামছুদ্দিন জেহাদ সামিয়া পপি সাযযাদ কাদির সারোয়ার সোহেন সালমা আক্তার চৌধুরী সালমা রহমান সালেহ আকরাম সালেহ আহমদ সালেহা সুলতানা সিকদার মনজিলুর রহমান সিমু নাসের সিরহানা হক সিরাজুল ইসলাম সিরাজুল ফরিদ সুকান্ত ভট্টাচার্য সুকুমার বড়ুয়া সুকুমার রায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সুফিয়া কামাল সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুমন সোহরাব সুমনা হক সুমন্ত আসলাম সুমাইয়া সুহৃদ সরকার সৈয়দ আরিফুল ইসলাম সৈয়দ আলমগীর সৈয়দ আলী আহসান সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী সৈয়দ তানভীর আজম সৈয়দ মুজতবা আলী সৈয়দ সোহরাব হানিফ মাহমুদ হামিদুর রহমান হাসান আলীম হাসান ভূইয়া হাসান মাহবুব হাসান শরীফ হাসান শান্তনু হাসান হাফিজ হাসিনা মমতাজ হুমায়ূন আহমেদ হুমায়ূন কবীর ঢালী হেলাল মুহম্মদ আবু তাহের হেলাল হাফিজ হোসেন মাহমুদ হোসেন শওকত হ্নীলার বাঁধন

মাসের শীর্ষ পঠিত

 
রায়পুর তরুণ ও যুব ফোরাম

জোনাকী অনলাইন লাইব্রেরী - Jonaaki Online Library © ২০১১ || টেমপ্লেট তৈরি করেছেন জোনাকী টিম || ডিজাইন ও অনলাইন সম্পাদক জহির রহমান || জোনাকী সম্পর্কে পড়ুন || জোনাকীতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ